উত্তর ২৪পরগনায় একজনও নতুন ভোটার নেই ৬ বিধানসভায়। পানিহাটীতে মাত্র ১,১৪৮জন
উত্তর ২৪পরগনায় একজনও নতুন ভোটার নেই ৬ বিধানসভায়। ৩৩আসনে মোট নতুন ভোটার ২১হাজার ৭৮৭, বাদ পড়েছে ১লক্ষ ৪২হাজার ২৯৭জনের নাম

চন্দন সেনগুপ্ত : SIR এর পরে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল ১৬ই ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে। এরপর বিতর্কিত চূড়ান্ত তালিকা কমিশন প্রকাশ করে ২৮শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬। মাধবর্তী প্রায় ২ মাস সময় ছিল ফর্ম ৬ পূরণ করে নতুন ভোটার, বা যাদের বয়স ১৮ পার করেছে সেই সমস্ত তরুণ/তরুণীদের নাম ভোটার তালিকায় সংযোজন করে নেবার। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিধানসভা কেন্দ্রে কেউ সেই পথে হাঁটেন নি বা নিজেদের নাম ভোটার তালিকায় তোলেন নি। যেমন নৈহাটী, দমদম,হাবড়া,বাদুড়িয়া,নোয়াপাড়া এবং বসিরহাট উত্তর, এই ছ`টি বিধানসভা এলাকায় নতুন ভোটার হবার আবেদন সংখ্যা “শুন্য”। উল্লেখযোগ্য ভাবে এই প্রতি বিধানসভা আসনেই কিন্তু ২০২১এর ভোট বিপুল ভোট জয়লাভ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। গাইঘাটা বিধানসভায় নতুন ভোটারের সংখ্যা মাত্র ১। তবে নতুন ভোটারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে বিধাননগর বিধানসভায়, সেখানে সংখ্যাটি ৩হাজার ৩৯৮ জন। রাজারহাট-নিউ টাউনে ২হাজার ৫৪৩জন। পানিহাটীতে ১হাজার ১৪৮জন, কামারহাটীতে ১৭৫৩জন, খড়দায় ১হাজার ১৪৭জন। সব মিলিয়ে উত্তর ২৪পরগনা জেলায় ৩৩টি আসনে মোট নতুন ভোটারের নাম যুক্ত হয়েছে ২১হাজার ৭৮৭জনের, সেখানে SIR এর সৌজন্যে ১লক্ষ ৪২হাজার ২৯৭জনের নাম. এর মধ্যে ধরা হয় নি রাজ্য জুড়ে যে ৬০লক্ষ ভোটারের নাম বিচারাধীন রয়েছে, তাদের। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা উত্তর ২৪ পরগনার মত রাজনৈতিক সচেতন জেলার এই চিত্রটিকে মোটেও স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ, তারা মনে করছেন “রাজনৈতিক নেতাদের সার্বিক যে কদর্য চেহারা জনমানসে ফুটে উঠেছে, নতুন ভোটারদের ভোটদানে অনীহা হয়ত অনেকটাই সে কারণে।
(*সবটাই নির্বাচন কমিশনের ২৮শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬ প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী )



