কলকাতা

এবার সরাসরি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনার প্রক্রিয়া শুরু করলো তৃণমূল কংগ্রেস

তৃণমূল সূত্রে জানা গেছে সোমবার থেকেই দলীয় সাংসদদের সই সংগ্রহ শুরু হয়ে গেছে। তবে কোনও কোনও সাংবিধানিক পদাধিকারীর বিরুদ্ধে সংসদে ইমপিচমেন্ট মোশন আনা সহজ প্রক্রিয়া নয়। সাধারণত যেভাবে কোনও বিচারপতির বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ক্ষেত্রেও প্রায় একই ধরনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। যেখানে প্রস্তাবটি সংসদে পেশ করতে ন্যূনতম ১০০জন সাংসদের স্বাক্ষর দরকার হয়। যেখানে এ মুহূর্তে সংসদে রাজ্যসভা ও লোকসভা মিলিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদের সংখ্যা ৪১।

৭এ নিউজ ডেস্কঃ এবার সরাসরি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনার প্রক্রিয়া শুরু করলো তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। গত ৩দিন ধরে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের ফুল টিম ছিল কলকাতায়। শুধু রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সাথেই নয়, তারা আলোচনায় বসেছেন রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদাধিকারীদের সাথেও। বিশেষ করে নির্বাচন পরিচালনা করতে যে সমস্ত প্রশাসনিক পদাধিকারীরা সরাসরি যুক্ত থাকেন, যেমন, রাজ্য পুলিশের ডিজি পদ মর্যাদার অফিসার থেকে শুরু করে জেলা পুলিশের প্রধান, জেলা শাসক সহ একাধিক উচ্চ পদমর্যাদার সরকারী আমলাদের সাথেও বৈঠক করেছেন জ্ঞানেশ কুমারের ফুল টিম। আর সেই আবহেই কিন্তু মুলতঃ জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব, সাধারণ বৈধ ভোটারদের ভোটাধিকার SIR এর নাম কেড়ে নেওয়া ইত্যাদি অভিযোগে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে লাগাতার অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবং নিজে দিনরাত অবস্থানে উপস্থিত থেকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলনে পথে থাকতে প্রাণিত করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পথে নতুন সংযোজন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনার প্রক্রিয়া শুরু করা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়ে ছিলেন “মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।” আর তৃণমূল সূত্রে জানা গেছে সোমবার থেকেই দলীয় সাংসদদের সই সংগ্রহ শুরু হয়ে গেছে। তবে কোনও কোনও সাংবিধানিক পদাধিকারীর বিরুদ্ধে সংসদে ইমপিচমেন্ট মোশন আনা সহজ প্রক্রিয়া নয়। সাধারণত যেভাবে কোনও বিচারপতির বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ক্ষেত্রেও প্রায় একই ধরনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। যেখানে প্রস্তাবটি সংসদে পেশ করতে ন্যূনতম ১০০জন সাংসদের স্বাক্ষর দরকার হয়। যেখানে এ মুহূর্তে সংসদে রাজ্যসভা ও লোকসভা মিলিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদের সংখ্যা ৪১। তৃণমূল সূত্রের খবর, এই বিষয়ে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে “ইন্ডি” জোটের সমর্থন চাওয়া হয়েছে, এবং সেক্ষেত্রে কংগ্রেস সহ অন্যান্য দলের সাথে ইতিমধ্যেই যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবী। এখন দেখার মাঝে মধ্যেই “ইন্ডি”জোটের পিন্ডি চটকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনার প্রক্রিয়ায় কতটা সফল হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ?

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *