কলকাতা

আলোচনা পর্বেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা

সোমবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের সাথে আলোচনার শুরুতেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও ফিরহাদ হাকিম। তৃণমূলের অভিযোগ, "কমিশন বিজেপির শিখিয়ে দেওয়া পথেই হাঁটছে।"

চন্দন সেনগুপ্ত : রাজ্যে ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, বাকি নির্ঘণ্ট ঘোষণার। তার আগে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে কলকাতায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ কমিশনের ফুল বেঞ্চ (ECI Full Bench)। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ৩দিনের এই সফরের ১ম দিনেই রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাদা করে আলোচনা শুরু করে দিয়েছে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন ( Election Commission of India)।
আর সোমবার সেই আলোচনার শুরুতেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও ফিরহাদ হাকিম। তৃণমূলের অভিযোগ, “কমিশন বিজেপির শিখিয়ে দেওয়া পথেই হাঁটছে।” মূলতঃ এস আই আর নিয়ে তৃণমূলের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার বিষয়টি নিয়েই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সাথে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় তৃণমূল প্রতিনিধি চন্দ্রিমা ভাট্টাচার্য এবং ফিরহাদ হাকিমের সাথে।

সিপিএমের সাথেও বৈঠক
পাশাপাশি সিপিএমের সাথেও বৈঠকে বসে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সিপিআইএমের প্রতিনিধি দলে ছিলেন মহম্মদ সেলিম (Md Salim), শমীক লাহিড়ী। জানা গেছে সিপিআইএম আলোচনায় স্পষ্ট জানিয়েছে “৬০ লক্ষ ভোটারকে বাদ দিয়ে বাংলায় ভোটার লিস্ট হতে পারে না,”
কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশেই এই চক্রান্ত হয়েছে বলে মনে করেন সেলিমরা। একাধিক ক্ষেত্রে গণ্ডগোলের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএলও, এইআরও, ইআরওদেরও গাফিলতি আছে, কমিশন সেই কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান সেলিম।

আলোচনায় বিজেপির প্রতিনিধিরা
অন্য দিকে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সাথে প্রায় আধ ঘন্টার বৈঠকের পর বিজেপির প্রতিনিধি শিশির বাজোরিয়া জানিয়েছেন “২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে (2026 West Bengal Assembly Election) হিংসা ও ভয়মুক্ত করতে বিজেপির (BJP) তরফে ১৬দফা দাবী পেশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। তাদের অভিযোগ ভোটের সময়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা হয় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের (West Bengal Police Welfare Organization) মাধ্যমে । তাই নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন এই সংগঠনের সমস্ত কার্যকলাপ বন্ধ রাখার দাবি জানানো হয়েছে। কিন্তু ৬০ লক্ষ ভোটার এর বিষয়ে কোনও লোচনা হয়নি, কারণ বিষয়টি আদালতের বিবেচনাধীন বলে জানান বিজেপি প্রতিনিধিরা। পাশাপাশি রাজ্যে ৭বা ৮দফা নয়, ১ অথবা ২ দফায় ভোট করানোর দাবীও করা হয়েছে বিজেপির তরফে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *