ভোটের আগে নিরাপত্তা ও পরিষেবায় বড় পদক্ষেপ: বাগুইআটিতে অগ্নি কেন্দ্রের শিলান্যাস ও সিসিটিভি উদ্বোধন
বিধায়ক তহবিল (রাজারহাট-গোপালপুর) থেকে বাগুইআটি থানা-র অন্তর্গত বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২৫০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। দমদম পার্ক থেকে কৈখালী, নপাড়া থেকে মিশন বাজার—সমগ্র বিধানসভা কেন্দ্রকে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা : এলাকার অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করতে এবার বাগুইআটিতে অগ্নি নির্বাপন কেন্দ্র। এছাড়াও সিসিটিভি ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নতুন গাড়ি এবং ছোট গলিতে প্রবেশযোগ্য ইলেকট্রিক টোটো পরিষেবার মাধ্যমে ভোটের আগে বাগুইআটি ও সংলগ্ন অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য বড়সড়ো প্যাকেজ রাজ্যের। এদিন বিধায়ক অদিতি মুন্সি-র একান্ত প্রচেষ্টা এবং বিধাননগর পৌরনিগম-এর সহযোগিতায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস সম্পন্ন হলো। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজারহাট গোপালপুর বিধায়ক শ্রীমতি অদিতি মুন্সি,শ্রীমতি পিয়ালী সরকার বোরো চেয়ারম্যান ,সাংসদ সৌগত রায়, দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, তাপস চ্যাটার্জি, বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী, কমিশনার সুজয় সরকার, মেয়র পারিষদের সদস্য দেবরাজ চক্রবর্তী, বাগুইআটি থানার আইসি অমিত কুমার মিত্র, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা ইন্দ্রনাথ বাগুই, এবং ৪ নম্বর বোরো চেয়ারম্যান মনিশ মুখার্জি সহ এলাকার জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
একইসঙ্গে বিধায়ক তহবিল (রাজারহাট-গোপালপুর) থেকে বাগুইআটি থানা-র অন্তর্গত বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২৫০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। দমদম পার্ক থেকে কৈখালী, নপাড়া থেকে মিশন বাজার—সমগ্র বিধানসভা কেন্দ্রকে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এই সিসিটিভি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ থাকবে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট ও বাগুইআটি থানা। পুলিশের তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন সিপি মুরলি ধর এবং ডিসিপি (এয়ারপোর্ট জোন) ঐশ্বরিয়া সাগর।
এছাড়াও বিধাননগর পৌরনিগমের কনজারভেন্সি ডিপার্টমেন্টে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নতুন গাড়ি এবং ছোট গলিতে প্রবেশযোগ্য ইলেকট্রিক টোটো পরিষেবা চালু করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
বাগুইআটি থানা এলাকার বাসিন্দাদের জন্য এই সিসিটিভি প্রকল্পকে বিশেষ উপহার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিরাপত্তা, অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার এই ত্রিমুখী উদ্যোগ গোটা বিধানসভা কেন্দ্রের সার্বিক উন্নয়নে নতুন দিশা দেখাবে বলে মত প্রকাশ করেছেন উপস্থিত অতিথিরা।



