ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছোবার আগের মুহূর্তে রণক্ষেত্র কলকাতা
ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছোবার আগের মুহূর্তে রণক্ষেত্র কলকাতা। বিজেপি ও তৃণমূল সমর্থকদের দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তপ্ত সেন্ট্রাল এভিনিউর গিরিশ পার্ক এলাকা। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই আহত হয়েছেন বৌবাজার থানার ওসি সহ একাধিক বিজেপি কর্মী
নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা : ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) পৌঁছোবার আগের মুহূর্তে রণক্ষেত্র কলকাতা। বিজেপি ও তৃণমূল সমর্থকদের (BJP VS TMC) দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তপ্ত সেন্ট্রাল এভিনিউর গিরিশ পার্ক এলাকা। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই আহত হয়েছেন বৌবাজার থানার ওসি সহ একাধিক বিজেপি কর্মী। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হচ্ছে ব্রিগেড মুখী বিজেপি সমর্থকেরা হামলা চালায় রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে, অন্য দিকে বিজেপির অভিযোগ, তাদের কর্মী সমর্থকেরা যখন বাসে করে সেন্ট্রাল এভিনিউ ধরে যাচ্ছিলেন, তখন গিরিশ পার্ক মোড়ে জমায়েত তৃণমূল কর্মীরা যথেচ্ছ পাথর ছুঁড়তে থাকে সেই বাসগুলিকে লক্ষ করে, পাল্টা বিজেপি কর্মীরা বাস থেকে নেমে এসে ঘটনার প্রতিরোধ করতে গেলে রণক্ষেত্র্রের চেহারা নেয় এলাকা। প্রাথমিক ভাবে কলকাতা পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। মন্ত্রী শশী পাঁজার অভিযোগ বিনা প্ররোচনায় বিজেপি কর্মীরা রাস্তার ধরে লাগানো তৃণমূলের পোস্টের ফ্লেক্স ছিঁড়ে দিলে তার প্রতিবাদ করে তৃণমূল কর্মীরা, তিনি নিজেই ঘটনাস্থলে ছিলেন, আর তারপরেই বিজেপি সমর্থকেরা তার বাড়িতে চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পাল্টা বিজেপির অভিযোগ, মন্ত্রীর উপস্থিতিতেই তৃণমূল সমর্থকেরা ব্রিগেডমুখী বাসগুলির উপর হামলা চালায়, পরে কলকাতা পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করেন। ঘটনায় নির্বাচনমুখী বাংলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কিন্তু উঠে গেলো বড় একটা প্রশ্ন চিহ্ন, যে বিষয়টি নিয়ে বারংবার সোচ্চার হয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।



