দীর্ঘ অসুস্থতার পর প্রয়াত বঙ্গ রাজনীতির ‘চাণক্য’ মুকুল রায়, শোকের ছায়া রাজনীতিমহলে
একাধিক শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে প্রায় ২ বছর তিনি কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন,আর সেখানেই রবিবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুকুল রায়ের মৃত্যুর খবর তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায় নিশ্চিত করতেই রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১। একাধিক শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে প্রায় ২ বছর তিনি কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন,আর সেখানেই রবিবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুকুল রায়ের মৃত্যুর খবর তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায় নিশ্চিত করতেই রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
দীর্ঘবছর ধরেই কিডনি সহ একাধিক গুরুতর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি, এদিন রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন মুকুল রায়।
১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস (All India Trinamool Congress) প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই তিনি দলের অন্যতম সংগঠক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। দল গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে সাংগঠনিক বিস্তার এবং রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি রাজ্য রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠেন।
২০১৮ সালে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে তিনি বিজেপিতে (BJP) যোগ দেন। সেই সময় তাঁর দলবদল রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। তবে ২০২১ সালে পুনরায় তৃণমূল কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তন করেন তিনি, যা আবারও রাজনৈতিক মহলে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।
তাঁর প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দ শোকপ্রকাশ করেছেন এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা উত্থান-পতনের সাক্ষী এই নেতা রাজ্য রাজনীতিতে নিজের স্বতন্ত্র ছাপ রেখে গেলেন। শাসক বিরোধী ভেদরেখা ভুলে একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তার স্মৃতিচারণায় শামিল হয়েছেন। ইতিমধ্যেই টুইট করে শোকজ্ঞাপন করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং মুকুল রায়ের দীর্ঘদিনের সাথী মমতা ব্যানার্জী, অভিষেক ব্যানার্জি।



