news

Food and Agriculture Organization-এর স্বীকৃতি: গোবিন্দভোগ-সহ তিন সুগন্ধি চাল পেল ‘হেরিটেজ’ তকমা

বাংলার মুকুটে নয়া পালক, হেরিটেজ তকমা পেলো বাংলার চাল

রাষ্ট্রপুঞ্জের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (Food and Agriculture Organization ) পশ্চিমবঙ্গের তিন সুগন্ধি চাল—গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি ও কনকচুড়—কে খাদ্য সংস্কৃতির ‘হেরিটেজ’ তকমা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী (Mamata Banerjee)। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে রাজ্য সরকারের আন্তবিভাগীয় প্রকল্প ‘মাটির সৃষ্টি’। সমাজমাধ্যমে শংসাপত্র প্রকাশ করে এই সুখবর জানান মুখ্যমন্ত্রী।
রাজ্যের কৃষি ও খাদ্য সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এই স্বীকৃতিকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সুগন্ধি চালের বাজারে গোবিন্দভোগের জনপ্রিয়তা দীর্ঘদিনের। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি, নদিয়া, বাঁকুড়া ও বীরভূম জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় এই চালের চাষ হয়। অন্যদিকে তুলাইপাঞ্জি মূলত উত্তরবঙ্গের চাল—উত্তর দিনাজপুর ও সংলগ্ন এলাকায় এর চাষ বেশি হয়। কনকচুড়ও রাজ্যের পরিচিত সুগন্ধি প্রজাতির মধ্যে অন্যতম। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব প্রান্তেই এই চালগুলি বাজারে সহজলভ্য।
উল্লেখ্য, পশ্চিমাঞ্চলে কৃষিজনিত সমস্যা মোকাবিলায় ২০২০ সালে ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্প চালু করে রাজ্য সরকার। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, মাটির গুণগত মানোন্নয়ন এবং কৃষকদের আয় বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এবার সেই প্রকল্পও আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেল।হয়
রাষ্ট্রপুঞ্জের এই স্বীকৃতি রাজ্যের কৃষি, ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *