ভোট ঘোষণার সাথে সাথেই ইফতারে তৃণমূল নেতৃত্ব
আগরপাড়ায় ইফতারে এসে বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে সরব হলেন নির্মল ঘোষ

শ্যামল পাল ৭এ নিউজ : নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণার পরমুহূর্তেই বিদায়ী রাজ্য মন্ত্রিসভার মুখ্যসচেতক, বিধায়ক নির্মল ঘোষকে পাওয়া গেলো আগরপাড়ার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত একটি এলাকায়, সারাদিনের রোজা পালনের পর ইফতারে অংশ নিতে। ২০২৬এর বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্য জুড়ে যে ভাবে বিভাজনের রাজনীতি প্রশ্রয় পাচ্ছে, তাতে এই সংখ্যালঘু ভোট যে তৃণমূলকে অতিরিক্ত অক্সিজেন যোগাবে সেটা বলা বাহুল্য। বাংলার সংখ্যালঘু ভোটারেরা ঐতিহাসিক ভাবে রাজ্যে যে দল যখন শাসন ক্ষমতায় থাকে, সেই দলকেই সমর্থন করে এসেছে। আর আমাদের রাজ্যে সংখ্যালঘুদের একটা বিরাট অংশ বিহার বা ইউ পি থেকে আসা, যারা মোটামুটি শহর কলকাতার আশেপাশের অঞ্চলগুলিতে বসবাস করে, সেই ভোট ব্যাঙ্ক যাতে অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনেও শাসক দলের পক্ষেই থাকে তার জন্য চেষ্টার কোন খামতি নেই, ভোট ঘোষনার ক`য়েক ঘন্টা আগে মসজিদের ইমাম এবং মোয়াজ্জেম ভাতা ৫০০টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। সেই আবহে দাঁড়িয়ে এদিন আগরপাড়ার হসপিটাল রোডের হায়দার ভবনে আয়োজিত ইফতারে নির্মল ঘোষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পানিহাটীর পৌরপ্রধান সোমনাথ দে, কামারহাটীর উপ পৌরপ্রধান তুষার চ্যাটার্জী, পৌরপিতা তীর্থঙ্কর ঘোষ, রাজা আহমেদ, প্রবীর মজুমদার, বিমল সাহা সহ বহু বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ। পরে ভোট ঘোষণার পর প্রথম ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে বিদায়ী রাজ্য মন্ত্রিসভার মুখ্যসচেতক, বিধায়ক নির্মল ঘোষ জানালেন, রাজ্য জুড়ে যে বিভাজনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করার অপচেষ্টা চলছে, বাংলার মানুষ ভোটে তার জবাব অবশ্যই দেবে ।
https://youtu.be/YFUHSY-mhJ0
রাজ্যে সংখ্যালঘুদের একটা বিরাট অংশ বিহার বা ইউ পি থেকে আসা, যারা মোটামুটি শহর কলকাতার আশেপাশের অঞ্চলগুলিতে বসবাস করে, সেই ভোট ব্যাঙ্ক যে তৃণমূলের পক্ষে অটুট থাকবে সেটা বলাই যায়, কিন্তু বাঙালি মুসলমানেরা কোন পক্ষ নেয়, এখন দেখার সেটাই।
ভোট ঘোষণার সাথেসাথেই আগরপাড়ায় ইফতারে তৃণমূল নেতৃত্ব
আমাদের রাজ্যে সংখ্যালঘুদের একটা বিরাট অংশ বিহার বা ইউ পি থেকে আসা, যারা মোটামুটি শহর কলকাতার আশেপাশের অঞ্চলগুলিতে বসবাস করে, সেই ভোট ব্যাঙ্ক যাতে অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনেও শাসক দলের পক্ষেই থাকে তার জন্য চেষ্টার কোন খামতি নেই, ভোট ঘোষনার ক`য়েক ঘন্টা আগে মসজিদের ইমাম এবং মোয়াজ্জেম ভাতা ৫০০টাকা করে বাড়ানো হয়েছে।



