বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার ! রাজনৈতিক খুন নাকি ত্রিকোণ প্রেমের জের ?
ভোটের আবহে বঙ্গে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ। রাজনৈতিক খুন নাকি পরকীয়ার পরিণতি ? সবদিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, এদিন এক পুজোর অনুষ্ঠান থেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয় বিজেপি কর্মী কিশোর মাঝিকে।
নিজস্ব সংবাদদাতা : ভোট বঙ্গে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ। রাজনৈতিক খুন নাকি ত্রিকোণ প্রেমের জের ? সবদিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আর বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার রায়দিঘিতে।
জানা গিয়েছে মৃতের নাম কিশোর মাঝি। এদিন রায়দিঘি বিধানসভার অন্তর্গত মেনা গ্রামে একটি কালীপুজো ছিল। আর সেই পুজোর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিশোর বাবু।অভিযোগ, সেখান থেকে তাঁকে ফোন করে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়। অন্যদিকে এই মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন রায়দিঘির পদ্ম প্রার্থী পলাশ রানা। তাঁর দাবি, নির্বাচনের আবহে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই খুন করেছে বিজেপি কর্মীকে। সেই সঙ্গে বিজেপি কর্মীর খুনের প্রতিবাদে এদিন স্থানীয় থানা ঘেরাওয়েরও ডাক দেন তিনি। যদিও পদ্ম শিবিরের এহেন অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদার।তাঁর দাবি, পারিবারিক কারণেই খুন হতে হয়েছে বিজেপি কর্মীকে। অন্যদিকে এই মর্মান্তিক মৃত্যুর নেপথ্যে উঠে আসছে পরকীয়ার তত্ত্বও ! প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই এ হেন ভয়াবহ পরিণতি হয়েছে কিশোর মাঝির। ইতিমধ্যেই এ ঘটনার প্রেক্ষিতে মৃতের স্ত্রী অনিমা মাঝি ও তাঁর প্রেমিক গোবিন্দ দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতরা একই পাড়ার বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে।
রাজনৈতিক হত্যা নাকি ত্রিকোণ প্রেমের পরিণতি ? কি কারণে অকালে প্রাণ হারাতে হলো বিজেপি কর্মী কিশোর মাঝিকে? উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।


