পশ্চিমবঙ্গ

স্ত্রীকে বাঁচাতে মদ্যপ ছেলেকে অস্ত্রের কোপ, গ্রেপ্তার বাবা, গুরুতর জখম ছেলে

খড়দহের বন্দিপুর ঠাকুর কলোনির বাসিন্দা বিশ্বনাথ দাস রিকশা চালিয়ে কোনোরকমে সংসার চালাতেন। প্রায় প্রতিদিনই মধ্যপান করে বাড়িতে এসে অশান্তি-মারধোর করত ছেলে প্রসেন দাস।

নিজস্ব সংবাদদাতা : মদ্যপ অবস্থায় মাকে মারধোর করছিলো ছেলে। আর মদ্যপ ছেলের হাত থেকে স্ত্রীকে বাঁচাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত বাবার। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে খড়দহে(Khardah)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খড়দহের বন্দিপুর ঠাকুর কলোনির বাসিন্দা বিশ্বনাথ দাস রিকশা চালিয়ে কোনোরকমে সংসার চালাতেন। প্রায় প্রতিদিনই মধ্যপান করে বাড়িতে এসে অশান্তি-মারধোর করত ছেলে প্রসেন দাস। দীর্ঘদিন ধরেই ছেলের এই অত্যাচার সহ্য করছিলেন বাবা-মা। আর এদিন ভর দুপুরে ফের মদ্যপান করে বাড়িতে ফিরে অশান্তি শুরু করে ছেলে। ক্রমে তা মাত্রা ছাড়ায়। অশান্তি চলাকালীন মাকে মারধোর করতে শুরু করে গুনধর ছেলে। চোখের সামনে ছেলের এহেন আচরণে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে বাবা বিশ্বনাথ দাসের। স্ত্রীকে বাঁচাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছেলেকে এলোপাথাড়ি আঘাত করে ওই ব্যক্তি। ঘটনায় গুরুতর জখম ছেলে প্রসেন দাস। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় কামারহাটী (Kamarhati) সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে (College of Medicine & Sagore Dutta Hospital)। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রহড়া থানার পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো কাজকর্ম করতো না ছেলে প্রসেন দাস। চুরি করা, নেশা করে বাড়িতে ফিরে তুমুল অশান্তি করাই ছিল তার নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। বাবা বিশ্বনাথ দাস রিকশা চালিয়ে রোজগার করে সংসার চালাত। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি চাউর হতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে বন্দীপুরের ঠাকুর কলোনি এলাকায়। ধারালো অস্ত্রটি সহ বাবা বিশ্বনাথ দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *