পশ্চিমবঙ্গ

উত্তরের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী মা ও ছেলে, ফুল বদল কি হবে ? উত্তর দেবেন জনতাই

নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক যে কখনই রাজনীতির কারণে ভাঙবে না একথাই স্পষ্ট করলেন রঞ্জনবাবু। আর তাই এদিন মিষ্টি এবং ফুলের তোড়া নিয়ে মায়ের আশীর্বাদ নিতে গেলেন তিনি। অন্যদিকে ছেলেকে হাসি মুখে আশীর্বাদও করলেন শিখা দেবী।বললেন -" ধর্মকে রক্ষা করো, দেশকে রক্ষা করো।"

নিজস্ব সংবাদদাতা : প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে সরগরম ভোটের ময়দান। আর রাজনীতির সেই আকচাআকচির মাঝে প্রায়শই উঠে আসে সৌজন্যতার ছবি। এবার সেই একই ছবির সাক্ষী ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি( Dabgram-Phulbari) বিধানসভা কেন্দ্র। সেখানে আসন্ন নির্বাচনে সম্মুখ সমরে মা ও ছেলে। তবে মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে বেরিয়ে তৃণমূল প্রার্থী ছেলের স্পষ্ট কথা – জিতবেন তিনিই।সেই সঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এলাকার একাধিক না হওয়া কাজের খতিয়ানও দিলেন তিনি।কাজেই রাজনীতির ময়দানে যে শেয়ানে শেয়ানে টক্কর হতে চলেছে এই কেন্দ্রে তা বলাই বাহুল্য।

একদা তৃণমূলের (TMC) শক্ত ঘাঁটি হিসেবেই পরিচিত ছিল বিধানসভা কেন্দ্রটি। তবে ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী তথা ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের ২ বারের বিধায়ক গৌতম দেবকে (Goutam Deb) পরাস্ত করেন বিজেপির শিখা চ্যাটার্জি। আর এবার ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে সেই শিখা চ্যাটার্জির ওপরই ভরসা রেখেছে বিজেপি। আর তাঁর প্ৰতিপক্ষ হিসেবে তৃণমূলের তরফে প্রার্থী করা হয়েছে রঞ্জন শীল শর্মাকে। উল্লেখ্য, রঞ্জন বাবুর সঙ্গে শিখা দেবীর রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও রঞ্জন বাবুর বাবা মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর সর্বস্ব ছিলেন শিখা দেবীই। ভোটযুদ্ধে এবার তাঁরা একে অপরের প্ৰতিপক্ষ। তবে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক যে কখনই রাজনীতির কারণে ভাঙবে না একথাই স্পষ্ট করলেন রঞ্জনবাবু। আর তাই এদিন মিষ্টি এবং ফুলের তোড়া নিয়ে মায়ের আশীর্বাদ নিতে গেলেন তিনি। অন্যদিকে ছেলেকে হাসি মুখে আশীর্বাদও করলেন শিখা দেবী।বললেন -” ধর্মকে রক্ষা করো, দেশকে রক্ষা করো।”

রঞ্জন বাবুর দাবি, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে কলেজ তৈরি ও ডাবগ্রাম ১,২ ও ফুলবাড়ী ১,২ এই অঞ্চলগুলিকে নিয়ে পৃথক পৌরসভা গঠন এই দুটি বিষয় নিয়ে কোনো পদক্ষেপ করেননি বিদায়ী বিধায়ক। তাই সেই না হওয়া কাজের খতিয়ানই যে তাঁর প্রচারের অস্ত্র হতে চলেছে একথাই জানালেন রঞ্জন বাবু। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ী কেন্দ্র নিয়ে কৌতূহল থাকবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। মা – ছেলের দ্বৈরথে শেষমেশ কে জেতেন তার উত্তর মিলবে ৪ ঠা মে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *