সরকারি হাসপাতালে ‘বেড নেই’, চারদিন ধরে চিকিৎসাহীন গুরুতর আহত যুবক
গত শুক্রবার বিকেলে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা থানার ভাবতা চকিপুকুর এলাকায় ভয়াবহ বাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর যখন হন বছর ১৬'র কিশোর মাসুম বাদশা। দুর্ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত বহরমপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে কলকাতায় রেফার করা হয়।কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, কলকাতার একাধিক সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও ‘বেড খালি নেই’ জানিয়ে ভর্তি নিতে অস্বীকার করা হয়।
নিজস্ব সংবাদদাতা : চলতি বছরেই কলকাতা হাই কোর্ট (Kolkata High Court) তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ডিজিটাল প্লাটফর্মে (Digital platfrom) অর্থাৎ অনলাইনে কোন হাসপাতালে কতগুলি বেড খালি রয়েছে তা জানাতে হবে,যাতে রোগীর পরিবার তা দেখে রোগী ভর্তির ব্যবস্থা করতে পারেন। কিন্তু এই নির্দেশের পরেও কি বদলেছে বাস্তব চিত্রটা ? উত্তর : একেবারেই না।
গত শুক্রবার বিকেলে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বেলডাঙ্গা থানার ভাবতা চকিপুকুর এলাকায় ভয়াবহ বাইক দুর্ঘটনায় (Bike Accident) গুরুতর যখন হন বছর ১৬’র কিশোর মাসুম বাদশা। দুর্ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত বহরমপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে কলকাতায় রেফার করা হয়।কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, কলকাতার (Kolkata) একাধিক সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও ‘বেড খালি নেই’ জানিয়ে ভর্তি নিতে অস্বীকার করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় চারদিন ধরে হাসপাতালের দোরেদোরে ঘুরেও চিকিৎসার জন্য শয্যা না মেলায় কার্যত অসহায় হয়ে পড়ে পরিবার। গুরুতর আহত চিকিৎসাহীন অবস্থাতেই মাসুমকে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং কার্যত বাধ্য হয়ে বহরমপুরের (Berhampore) একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়, সেখানেও অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় ফের মাসুমকে নিয়ে আসা হয়েছে কলকাতায়। এই খবর প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত মাসুমকে কোনও সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করতে পারেননি তার পরিবারের লোকজন।
পরিবারের ক্ষোভ, রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির দাবি করা হলেও বাস্তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সরকারি হাসপাতালে শয্যা মিলছে না। আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের পক্ষে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা অত্যন্ত কঠিন।
মাসুমের পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে, দ্রুত তাকে এসএসকেএম হাসপাতাল (পিজি)-এ (SSKM)ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবংআবারও প্রশ্নের মুখে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।


