পশ্চিমবঙ্গ

ভোটের আগে বড় ঘোষণা, ৭কোটি টাকা ব্যয়ে আগরপাড়া উষমপুর বটতলায় তৈরী হবে নতুন হল

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, সেই ২০১০সালে আগরপাড়ার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবিকে মান্যতা দিয়ে তৎকালীন বাম পৌরবোর্ডর উদ্যোগে আগরপাড়ার উষুমপুর বটতলা এলাকায় ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল একটি আধুনিক প্রেক্ষাগৃহের।সেই ঘটনার প্রায় ১৫ বছর পর আগরপাড়াবাসীদের ব্যবহারের জন্য নতুন করে একটি প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের ঘোষণা হলো সংসদ,বিধায়ক, পৌরপ্রধানের উপস্থিতিতে ঘোলার মাঠ বা বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে, যেখানে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম গড়ে তোলা হবে বলে ঘোষণা ছিলো পৌরসভার।

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ আগরপাড়া : ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, সেই ২০১০ সালে আগরপাড়ার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবিকে মান্যতা দিয়ে তৎকালীন বাম পৌরবোর্ড আগরপাড়ার উষুমপুর বটতলা এলাকায় উদ্বোধন করেছিল পানিহাটী পৌরসভার একটি আঞ্চলিক কার্য্যালয়। উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন পুর ও নগরউন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য। একই দিনে ঐ আঞ্চলিক কার্যালয়ের পাশের জমিতে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল একটি আধুনিক প্রেক্ষাগৃহের। পরবর্তীতে রাজ্যে সরকার এবং পানিহাটীতে পৌরবোর্ড বদলের পর সেই উদ্যোগ আর সূর্যের আলো দেখেনি। বরং সেই ঘটনার প্রায় ১৫ বছর পর আগরপাড়াবাসীদের ব্যবহারের জন্য নতুন করে একটি প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের ঘোষণা হলো সংসদ,বিধায়ক, পৌরপ্রধানের উপস্থিতিতে ঘোলার মাঠ বা বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে, যেখানে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম গড়ে তোলা হবে বলে ঘোষণা ছিলো পৌরসভার। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌগত রায়, বিধায়ক নির্মল ঘোষ, পৌরপ্রধান সোমনাথ দে, পৌরপ্রধান সদস্য যথাক্রমে তীর্থঙ্কর ঘোষ, শুক্লা বিশ্বাস মান্না, হিমাংশু দেব সহ অন্যান্য পৌরপ্রতিনিধি সহ বহু বিশিষ্ট জনেরা, প্রথা মেনে নারকেল ফাটিয়ে মঙ্গলানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হল প্রস্তাবিত প্রেক্ষাগৃহের কাজ। সাংসদ সৌগত রায় স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, তিনি জানেন, পানিহাটী পৌরসভার কাজকর্ম সোদপুর কেন্দ্রীক, এমন একটা অভিযোগ আগরপাড়ার মানুষজনের আছে, তবে এই প্রেক্ষাগৃহটির কাজ সমাপ্ত হলে, সেই অভিযোগ আর থাকার কথা নয়।
বিধায়ক নির্মল ঘোষ, ঠিক বিধানসভা ভোটার মুখে দাঁড়িয়ে প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের ঘোষণা করে জানালেন প্রেক্ষাগৃহটির নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৭কোটি টাকা। ৫০০আসন বিশিষ্ট হলটি তৈরী হবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে, হবে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত।
আর পৌরপ্রধান সোমনাথ দে জানালেন প্রাথমিক কাজ শুরু করতে লাগবে ২কোটি টাকা, যার মধ্যে সাংসদ ইতিমধ্যে ৫০লক্ষ এবং বিধায়ক ৮৫লক্ষ টাকা দিয়েছেন তাদের এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে, কাজ শুরু হলে সাংসদ আরও ৫০লক্ষ টাকা দেবেন :
এখন দেখার কবে এই প্রস্তাবিত প্রেক্ষাগৃহটি বাস্তবে রূপ নেয়, কারণ ইতিমধ্যেই পানশীলা এবং আগরপাড়া মহাজাতি নগরে ২টি পৌর প্রেক্ষাগৃহ সংস্কারের অভাবে ধুঁকছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *