জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের ! তুঙ্গে রাজনীতির পারদ
জীবনতলা থানায় জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ! মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে কটাক্ষ শওকত মোল্লার
তাঁর করা একাধিক মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্কের শেষ নেই।এবার সেই তিনিই দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে ‘বিজেপির দালাল’ বলে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন। সেই সঙ্গে তাঁর নেতৃত্বে জীবনতলা থানায় জ্ঞানেশ কুমারের নামে দায়ের হলো ৭ টি অভিযোগও। হ্যাঁ অবশ্যই কথা হচ্ছে ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লাকে (Saokat Molla) নিয়ে।
প্রসঙ্গত এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া শুরু হতেই নানা সময়ে একাধিক ইস্যুতে দেশের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এবার দলনেত্রীর মতোই নির্বাবচন কমিশনকে কড়া ভাষায় কটাক্ষ করলেন দাপুটে তৃণমূল নেতা (TMC) শওকত। এদিন জীবনতলা থানায় চিফ ইলেকশন কমিশনার (Cheif election commissioner) জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) বিরুদ্ধে যে ৭ টি অভিযোগ জমা পড়ে সেই ৭ অভিযোগকারীই শওকতের বিধানসভা এলাকার বাসিন্দা।তাঁর নেতৃত্বেই এদিন মূলত হাতে নথি নিয়ে থানায় পৌঁছন অভিযোগকারীরা। শওকতের অভিযোগ, তাদের প্রত্যেকেরই ২০০০ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে সংযোগ থাকা সত্ত্বেও তাদের অযথা হিয়ারিংয়ে ডাকা হয়েছে। তার দাবি, হয়রানির শিকার হয়েছেন তারা। সেই সঙ্গে বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও তাদের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আর তাই এদিন দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) বিরুদ্ধে জীবনতলা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।থানা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শওকত জানালেন ” এই বিধানসভায় ( ক্যানিং পূর্ব) প্রায় ৩৩ হাজার নাম গত ৩ দিনে এসেছে। এই ইলেকশন কমিশনার মিঃ জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar) পরিকল্পিতভাবে বিজেপির (BJP) দালালগিরি করে সাধারণ গরিব মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চাইছে।” সেই সঙ্গে তাঁর আরও সংযোজন ” এই যে ৩৩ হাজার নাম এসেছে তার ৯০ শতাংশ মুসলিম সংখ্যালঘু। আমার একটাই প্রশ্ন জ্ঞানেশ কুমারের কাছে, দেখে দেখে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ভোট কাটা হচ্ছে কেন ?”
এসআইআর নিয়ে বিতর্ক,বিভ্রান্তির শেষ নেই। এবার দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধেই দায়ের করা হলো অভিযোগ। স্বাভাবিকভাবেই শাসক দলের নেতার এই পদক্ষেপকে কটাক্ষ করতে আসরে নেমে পড়েছে বিজেপি (BJP)। সবমিলিয়ে এদিনের অভিযোগ দায়েরে ঘটনার জেরে যে ক্রমশই চড়ছে বঙ্গ রাজনীতির পারদ তা বলাই বাহুল্য। এদিনের ঘটনার জল কতদূর গড়ায় সেটাই এখন দেখার।



