পশ্চিমবঙ্গ

“আপনাদের সায়ন্তিকা”- প্রচারে উন্নয়ন ছাড়াও আর কোন অস্ত্রে শান TMC প্রার্থীর ?

বরানগরে সিদ্বেশরী কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচার সারলেন TMC প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জী।আর গোটা প্রচার কর্মসূচিতেই যেন নিজেকে এলাকার বাসিন্দাদের ঘরের মেয়ে হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেন তিনি।

নিজস্ব সংবাদদাতা : রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটযুদ্ধ। দিনরাত এক করে নির্বাচনী প্রচারে নেমে পড়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। বিরোধীদের অস্ত্র রাজ্যের শাসক দলের একাধিক দুর্নীতি। আর শাসক দলের পুঁজি উন্নয়নের খতিয়ান। তবে সেসবের ঊর্ধে বরানগরের (Baranagar) তৃণমূল প্রার্থীর কৌশল।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আবারো বরানগর থেকে তৃণমূল-কংগ্রেস (TMC) মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন অভিনেত্রী- নেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জী (Sayantika banerjee) । এদিন নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের সিদ্বেশরী কালী মন্দিরে পুজো দিতে যান তিনি। আর তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা।সিদ্ধেশ্বরী কালী মাকে ভক্তিভরে পুজো দিয়ে জনসংযোগের কাজে বেরিয়ে পড়েন সায়ন্তিকা। আর গোটা প্রচার কর্মসূচিতেই যেন নিজেকে এলাকার বাসিন্দাদের ঘরের মেয়ে হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেন তিনি। প্রসঙ্গত ২০২৪ সালের উপনির্বাচনে(By Poll of 2024) বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষকে (Sajal Ghosh) হারিয়ে বরানগরের বিধায়ক পদে আসীন হন সায়ন্তিকা। আর এখনো আবারো নেমে পড়েছেন বিধানসভা নির্বাচনে সেই একই প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে। কাজেই বিধায়ক হিসেবে কাজের সময় পেয়েছেন মেরে কেটে দেড় বছর মতো। আর সেই সংক্ষিপ্ত সময়সীমাকেই নিজের প্রচারের সময় বারংবার তুলে ধরলেন সায়ন্তিকা। জানালেন কম সময়ে বেশি কাজ করতে পারেননি। তাই আবার তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানালেন বরানগরবাসীর কাছে। জনসংযোগ করার মাঝে এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ও করতে দেখা গেলো তাঁকে। সেই সঙ্গে নিজেকে “আপনাদের সায়ন্তিকা” বলেই পরিচয় দিলেন তিনি।পাশাপাশি আগের বারের থেকে এবারের ভোটে যে তাঁর জয়ের মার্জিন আরও বাড়বে এ বিষয়ে প্রত্যয়ী বরানগরের তৃণমূল প্রার্থী।

প্রসঙ্গত ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে বরানগরে বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ এবং সিপিআইএম (CPIM) ভরসা রেখেছে সায়নদীপ মিত্রের (Sayandeep Mitra) ওপর।আর নির্বাচনী প্রচারে নিজেকে বরানগরবাসীর কাছের মানুষ হিসেবে মেলে ধরলেন সায়ন্তিকা। কাজে আসবে কি তাঁর কৌশল ? বরানগরে ত্রিমুখী লড়াইয়ের মাঝে ৪ ঠা মে কে শেষ হাসি হাসবে সেদিকেই নজর রইলো আমাদের।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *