কুলতলীতে চোর- পুলিশের লুকোচুরির শেষে ধৃত ২, বাজেয়াপ্ত আগ্নেয়াস্ত্রও
পুলিশি ঘেরাটোপে আটকে পড়েন ২ ব্যক্তি। পালিয়ে যেতে সক্ষম হন বাকীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতরা গরু চুরি চক্রের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত। সেই সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে কার্তুজ, একটি দেশি বন্দুক ও একটি ধারালো অস্ত্র সহ অন্যান্য কিছু জিনিস দ্রব্যাদি।
নিজস্ব সংবাদদাতা: চোর – পুলিশের দীর্ঘক্ষণের লুকোচুরি যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। আর সবশেষে পুলিশের হাতে পাকড়াও ২ গরু চোর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কুলতলীর (Kultali) মৈপিঠ কোস্টাল থানা এলাকায়।
সূত্রের খবর এদিন ওই এলাকায় চার -পাঁচ জন ব্যক্তিকে ইতস্তত ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহ হয় এক কর্তব্যরত পুলিশের। সঙ্গে সঙ্গে খবর যায় কোস্টাল থানায়। আর খবর পাওয়া মাত্রই তড়িঘড়ি থানার বড়োবাবু জাহির আফতার মন্ডলের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশবাহিনী। আর উর্দিধারীদের দেখেই চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করেন ওই ৪-৫ জন ব্যক্তি। তবে তৎক্ষণাৎ তৎপর হন পুলিশ কর্মীরাও। একাধিক জায়গায় ব্যারিকেড দিয়ে দেন তারা। শেষমেশ পুলিশি ঘেরাটোপে আটকে পড়েন ২ ব্যক্তি। পালিয়ে যেতে সক্ষম হন বাকীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতরা গরু চুরি চক্রের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তারা একটি গাড়িতে সওয়ার হয়ে ডায়মন্ডহারবার (Diamond Harbour) থেকে কুলতলির মৈপিঠ কোস্টাল থানার গঙ্গার ঘাট এলাকায় আসে। আর সেখান থেকে পালাতে গিয়েই পুলিশের হাতে ধরা পড়েন ২ জন। পলাতক দলের বাকিরা। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করতেই পুলিশ জানতে পারে এর আগেও একাধিক বার এ হেন অসাধুকাজে ধৃতদের নাম জড়িয়েছে। সেই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া ২ ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই ভুবনেশ্বরী এলাকার এক জঙ্গলের পাশ থেকে উদ্ধার হয় কার্তুজ, একটি দেশি বন্দুক ও একটি ধারালো অস্ত্র সহ অন্যান্য কিছু জিনিস দ্রব্যাদি। এদিন গরু চুরিতে অভিযুক্ত ২ জনকে বারুইপুর আদালতে(Baruipur Court ) পেশ করা হয়।


