ভাঙড়, বালির পর এবার ক্যানিং, ভোট বঙ্গে ফের আক্রান্ত TMC কর্মী, কেন ?
এক কর্মী সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন ক্যানিংয়ের গোপালপুর পঞ্চায়েতের কচুয়া গ্রামের বাসিন্দা মোজাম্মেল। অভিযোগ সেখানে যাওয়ার পথে আচমকাই ৫-৬ জন দুষ্কৃতি তাকে ঘিরে ধরে। ভারী বস্তু দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়। সেই সঙ্গে রাস্তায় ফেলে তাকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগও উঠেছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা : ভাঙড়, বালির পর এবার ক্যানিং (Canning)। ভোটমুখী বঙ্গে ফের আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কর্মী। জানা গিয়েছে আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর নাম মোজাম্মেল সেখ।শাসক শিবিরের কর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১ জনকে আটক করেছে পুলিশ। জারি রয়েছে তদন্ত।
সূত্রের খবর, এদিন এক কর্মী সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন ক্যানিংয়ের গোপালপুর পঞ্চায়েতের কচুয়া গ্রামের বাসিন্দা মোজাম্মেল। অভিযোগ সেখানে যাওয়ার পথে আচমকাই ৫-৬ জন দুষ্কৃতি তাকে ঘিরে ধরে। ভারী বস্তু দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়। সেই সঙ্গে রাস্তায় ফেলে তাকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগও উঠেছে। তবে ঘাসফুল শিবিরের কর্মীর চিৎকারে লোকজন জড়ো হয়ে যাওয়ায় দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপর আশংকাজনক অবস্থায় মোজ্জাম্মেল শেখকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় অতি সত্বর তাকে কলকাতার এনআরএস (NRS) হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। অন্যদিকে আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর দাবি, পারিবারিক বিবাদের জেরে এদিন তাঁর ওপর প্রাণঘাতী হামলা করা হয়। যদিও বরাতজোরে বেঁচে গিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে এদিনের ঘটনার জন্য নিজের মামাতো ভাইদেরকেই কাঠগড়ায় তুললেন মোজ্জাম্মেল। তাদের বিরুদ্ধে একই অভিযোগে সরব হয়েছেন আহত কর্মীর স্ত্রীও।
ইতিমধ্যেই এ ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে শেখ পরিবার। এদিনের হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটকও করা হয়েছে। তৃণমূল কর্মীর আক্রান্ত হওয়ার নেপথ্যে এখনো পর্যন্ত পারিবারিক কারণই উঠে আসছে। তবে এর পিছনে অন্য কোনো সমীকরণ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।



