সোদপুরে নিজের আবাসনেই আক্রান্ত তরুণী! খোদ চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য, ধৃত অভিযুক্ত
খোদ পানিহাটী পৌরসভার চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডের এক আবাসনের যুবতীকে মারধর ও তার শ্লীলতাহানি করার চেষ্টার অভিযোগ উঠলো ওই ফ্ল্যাটেরই নিরাপত্তারক্ষীর ছেলের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত রবি থাপাকে গ্রেপ্তার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ।
খোদ পানিহাটী (Panihati) পৌরসভার চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডের এক আবাসনের যুবতীকে মারধর ও তার শ্লীলতাহানি করার চেষ্টার অভিযোগ উঠলো ওই ফ্ল্যাটেরই নিরাপত্তারক্ষীর ছেলের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত রবি থাপাকে গ্রেপ্তার করেছে খড়দহ (Khardah) থানার পুলিশ। সূত্রের খবর, সোদপুরের কাঁচকল মোড় এলাকার একটি আবাসনের ঘর আটকে রেখেছিলেন অভিযুক্তের বাবা। সেই সঙ্গে তিনি তার কাজও ঠিকভাবে করছিলেন না বলেই অভিযোগ। তাই এদিন ওই ঘরটি থেকে উঠে যেতে বলা হয় ওই নিরাপত্তারক্ষী সহ তার পরিবারকে। অভিযোগ, তারপরই বেশ কিছু আবাসিকের ওপর চড়াও হয় নিরাপত্তারক্ষীর ছেলে রবি থাপা। সেই সঙ্গে নিগৃহীতা তরুণীর মাকেও কটূক্তি করে সে। মায়ের কাছ থেকে গোটা ঘটনাটি জানতে পেরে রবি থাপার অশালীন আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয় ওই তরুণী। তার দাবি, নিরাপত্তারক্ষীর ছেলের সঙ্গে বাক বিতন্ডার মাঝেই তাকে মারধর করে ওই ব্যক্তি, এমনকি তার শ্লীলতাহানি করার চেষ্টাও করা হয়। আর এই ঘটনার পর থেকে তীব্র নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন নিগৃহীতা সহ আবাসনের বাকিরাও। ইতিমধ্যেই রবি থাপার বিরুদ্ধে খড়দহ (Khardah) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই যুবতী এবং তার মা। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পাকড়াও করা হয়েছে অভিযুক্তকে।
অন্যদিকে নিজের আবাসনের মধ্যেই তরুণীর আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। অভিযুক্তের মাথায় প্রভাবশালীদের হাত রয়েছে – দাবি স্থানীয় বিজেপি (BJP) নেতা জয় সাহার। সেই সঙ্গে এদিনের ঘটনাকে হাতিয়ার করে স্থানীয় কাউন্সিলর তথা পানিহাটি (Panihati) পৌরসভার পৌরপ্রধান সোমনাথ দে র বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তিনি। তবে পদ্মশিবিরের যাবতীয় অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ পৌরপ্রধান। সেই সঙ্গে কাঁচকল মোড় এলাকার আবাসনের ঘটনার প্রেক্ষিতে তার পৌরাঞ্চলের সমস্ত ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিলেন তিনি। আবাসিকের উদ্দেশে তাঁর আরও সংযোজন ” আপনাদের ফ্ল্যাটে আপনারা ছাড়া আর কারা কারা থাকছেন সেই বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন,পৌরসভা ও স্থানীয় কাউন্সিলরকে অবশ্যই জানান।”
মায়ের প্রতি কটূক্তি। আর তার প্রতিবাদ করতে গিয়ে খোদ পৌরসভার চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডেই তরুণী নিগ্রহের অভিযোগ উঠলো সোদপুরে।অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরবর্তীতে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয় স্থানীয় প্রশাসনের তরফে সেটাই এখন দেখার।

