লাস্ট ল্যাপে যুবসাথী, বদলালো কি ভিড়ের ছবি ?
রাজ্যের ২১-৪০ বছর বয়সী,মাধ্যমিক উত্তীর্ন কর্মহীন ব্যক্তিদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করা হয় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে। এই প্রকল্পের উপভোক্তাদের মাসিক ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।শেষ লগ্নেও যুবসাথী প্রকল্পে সাধারণের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।সেই সঙ্গে কমতি নেই ভিড়ের ছবিতেও।
নিজস্ব সংবাদদাতা : একেবারে শেষ পর্যায়ে যুবসাথী প্রকল্পের (Yubasathi Scheme) আবেদন প্রক্রিয়া। গত ১৫ ই ফেব্রুয়ারি থেকে এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারছেন সাধারণ মানুষ। আর আবেদন করার সময়সীমা শেষ হবে আগামীকাল অর্থাৎ ২৬ শে ফেব্রুয়ারি।
প্রথম থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে যুবসাথী। রাজ্যের ২১-৪০ বছর বয়সী,মাধ্যমিক উত্তীর্ন কর্মহীন ব্যক্তিদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করা হয় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে। এই প্রকল্পের উপভোক্তাদের মাসিক ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।তবে প্রথমে বলা হয়, অগাস্ট থেকে কার্যকর করা হবে এই প্রকল্প। তবে পরবর্তীতে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) ঘোষণা করেন যে অগাস্ট নয়, বরং ১লা এপ্রিল থেকেই মিলবে এই প্রকল্পের সুবিধা। আর তারপর থেকেই শুরু হয় যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম নেওয়া ও তা পূরণ করে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। কালিম্পঙ (Kalimpong) থেকে কলকাতা (Kolkata) – সর্বত্রই যুবসাথী প্রকল্পের শিবিরে কার্যত জনস্রোত দেখা গিয়েছে। আর সেই জনস্রোতের ছবিটা দেখা গেলো পূর্ব বর্ধমানেও। সেই জেলার জামালপুর ব্লক অফিসে এদিন বেড়ুগ্রাম, জোতশ্রীরাম এবং জারগ্রাম এই তিনটি অঞ্চলের ইচ্ছুক ও যোগ্য বাসিন্দাদের যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম দেওয়া ও তা জমা নেওয়ার কাজ চলে। আর সেই প্রকল্পে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে এদিন ব্লক অফিসে ভিড় জমান প্রচুর মানুষ। শেষমেশ ব্লক অফিস চত্বর ছাড়িয়ে আবেদনকারীদের লাইন পৌঁছয় বাইরের রাস্তাতেও। স্বাভাবিকভাবেই সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। আর সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে আসরে নামেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধক্ষ মেহেমুদ খাঁন। ভিড় নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্লকের ভিতরে আলাদা করে কাউন্টার খোলান তিনি। সেই সঙ্গে গোটা ব্যবস্থাপনার নজরদারির দায়িত্বে মোতায়েন ছিল জামালপুর থানার পুলিশও। উপস্থিত ছিলেন বিডিও পার্থ সারথী দে’ও। সবমিলিয়ে শেষ লগ্নেও যুবসাথী প্রকল্পে সাধারণের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।সেই সঙ্গে কমতি নেই ভিড়ের ছবিতেও।
অন্যদিকে ‘বাংলার যুবসাথী’ প্রকল্প ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ভোটের আগে বাংলার যুবতী তো বটেই যুবকদের মন জয়ের চেষ্টা করতে এই প্রকল্পকে তৃণমূল সুপ্রিমোর মাস্টারস্ট্রোক বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।



