রাজ্যে অব্যাহত বুলডোজার অভিযান, ‘অবৈধ নির্মাণ’ TMC বিধায়ক জাভেদ খানের কার্যালয়ও?
রবিবার দুপুরে জে জি খান রোডে অবস্থিত রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও কসবার তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খানের কার্যালয় 'অবৈধ' হিসেবে চিহ্নিত করে সেই পার্টি অফিসের বাইরে কলকাতা পুর আইন অনুযায়ী নোটিস টাঙানো হয় পুরসভার তরফে। আগামীকাল বিকেলে যে বাড়িতে কার্যালয়টি রয়েছে সেই বাড়ির মালিককে সংশ্লিষ্ট নির্মাণের অনুমোদিত নকশা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে পুরসভার বিল্ডিং দফতরে হাজিরা দেবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৭এ নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় আসতেই অবৈধ নির্মাণ থেকে অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে এ রাজ্যের বিজেপি (BJP) সরকার। একদিকে যেমন কাঁটাতারহীন সীমান্তে বেড়া দেবার জন্য বিএসএফকে (BSF) জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে, তেমনি রাজ্যজুড়ে অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিককে নোটিস পাঠাতে শুরু করেছে পৌরসভাগুলি। আর সেই নোটিস মোতাবেক অবৈধ নির্মাণ ভাঙা না হলে পৌরসভার পক্ষ থেকেই ভেঙে দেওয়া হয় সেই নির্মাণ। এদিন শহর কলকাতার (Kolkata) একাধিক জায়গায় হানা দেয় কলকাতা পৌরনিগমের প্রতিনিধিরা। বেলেঘাটা (Beleghata),কসবা (Kasba) ও তিলজলার (Tiljala) অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে আনা হয় বুলডোজার এবং সাহায্য নেওয়া হয় অত্যাধুনিক যন্ত্রেরও।
সেই সঙ্গে রবিবার দুপুরে জে জি খান রোডে অবস্থিত রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও কসবার তৃণমূল (TMC) বিধায়ক জাভেদ খানের (Javed Ahmed Khan) কার্যালয় ‘অবৈধ’ হিসেবে চিহ্নিত করে সেই পার্টি অফিসের বাইরে কলকাতা পুর আইন অনুযায়ী নোটিস টাঙানো হয় পুরসভার তরফে।এদিন বিকেলে যে বাড়িতে কার্যালয়টি রয়েছে সেই বাড়ির মালিককে সংশ্লিষ্ট নির্মাণের অনুমোদিত নকশা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে পুরসভার বিল্ডিং দফতরে হাজিরা দেবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর সেই নোটিশের প্রেক্ষিতে সন্তোষজনক উত্তর না মিললে ওই নির্মান ভাঙা হতে পারে বলে খবর সূত্রের। আর এদিন শহর কলকাতার তিন জায়গায় যখন অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ চলছিল তখন এলাকাগুলিতে ছিল আঁটোসাঁটো নিরাপত্তাও।মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীও।সবমিলিয়ে রাজ্যজুড়ে অব্যাহত রয়েছে ‘বুলডোজার অভিযান।’ আর সেই অভিযানের মাঝে এবার পুরসভার নোটিস পড়লো জে জি খান রোডে অবস্থিত তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খানের অফিসেও।



