কলকাতা

হকার উচ্ছেদে রক্তাক্ত যাদবপুর, গ্রেপ্তার সৃজন সহ ৬

সরকারী কাজে বাধা দেওয়া সহ একাধিক অভিযোগে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় SFI এর সর্ব ভারতীয় সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য সহ ৬জনকে, পুলিশের লাঠির আঘাতে গুরুতর জখম সুজন সহ বহু বাম নেতা কর্মী ও হকারের। যে সমস্ত নির্মাণ এদিন ভাঙা যায়নি, আগামী ২৩ তারিখের মধ্যে সেগুলিকেও ভাঙা হবে বলে জানা গেছে প্রশাসন সূত্রে।

নিজস্ব সংবাদদাতা : ঘটনার সূত্রপাত ২রা জুন রাতে, হঠাৎ করেই রেল প্রশাসন হকার উচ্ছেদের প্রস্তুতি নেয় যাদবপুর রেল স্টেশন ও সংলগ্ন রেল ইয়ার্ড এলাকায়। সেই খবর পেয়েই স্টেশনে ছুটে এসেছিলেন সৃজন ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য বাম নেতারা, কোনওভাবে সেদিনের মতো আটকানো গেছিলো উচ্ছেদ।কিন্তু গতকাল রাতে আচমকাই বিশাল পুলিশ, রাফ এবং রাজ্যে থেকে যাওয়া কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সাথে উচ্ছেদের প্রস্তুতি হিসেবে প্রচুর সংখ্যক বুলডোজার ও লোকজন নিয়ে হাজির হয় রেলের উর্ধতন অফিসারেরা। সাথেসাথেই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন হকারেরা, পৌঁছে যান সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী, সৃজন ভট্টাচার্য, উষশী চক্রবর্তী সহ প্রচুর বাম কর্মী সমর্থক, দেখা যায় বেশ কিছু জাতীয় কংগ্রেসের পতাকাও।রেল কতৃপক্ষের সাথে বারংবার আলোচনায় বসার অনুরোধ করতে দেখা যায় প্রবীণ নেতা সুজন চক্রবর্তী সহ সৃজন ও অন্যান্য হকার নেতাদের, কিন্তু রেল কোন আলোচনার পক্ষপাতিই ছিল না।
এরপর আর কোনও কথা নয়, শুরু হয় সরাসরি অ্যাকশন, যাকে বলে গণ লাঠিচার্জ। যার হাত থেকে বাদ পড়েননি সুজন চক্রবর্তী সহ বহু প্রবীণ বাম নেতা এমনকি মহিলা পুরুষ বৃদ্ধ নির্বিশেষে হকাররাও, কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রের চেহারা নেয় স্টেশন চত্বর।
সরকারী কাজে বাধা দেওয়া সহ একাধিক অভিযোগে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় SFI এর সর্ব ভারতীয় সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য সহ ৬জনকে, পুলিশের লাঠির আঘাতে গুরুতর জখম সুজন সহ বহু বাম নেতা কর্মী ও হকারের। যে সমস্ত নির্মাণ এদিন ভাঙা যায়নি, আগামী ২৩ তারিখের মধ্যে সেগুলিকেও ভাঙা হবে বলে জানা গেছে প্রশাসন সূত্রে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *