কলকাতা

অবশেষে সরলো লেকটাউনের বিপজ্জনক মেসিমূর্তি, আপাতত রাখা হবে ইকো পার্কে 

মেসি মূর্তিটি লোহার কাঠামোতে স্ক্রু দিয়ে বসানো ছিল। সেই স্ক্রু খুলেই মূর্তি কাঠামো থেকে সরানো হয়েছে। হাইড্রলিক ক্রেনের সাহায্যে প্রথমে মূর্তিটিকে সাবধানে পাটাতন থেকে সরিয়ে রাস্তার ওপর নামিয়ে আনা হয় এবং ট্রাকে তোলা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা :  অবশেষে লেকটাউন থেকে সরিয়ে ফেলা হলো লিওনেল মেসির ৭০ ফুট উঁচু মূর্তিটি। মাত্র কয়েকদিন আগেই দেখা গিয়েছিলো, দমকা হাওয়ায় দুলছে মেসির মূর্তিটি। বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসতেই তারা প্রশাসনকে খবর দিলে, মূর্তিটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে জানা যায়, বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে সেটি এবং যেকোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে। তখনই জানানো হয়েছিল হয়তো সরিয়ে ফেলা হতে পারে মূর্তিটিকে আর সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ সকাল পূর্ত দফতরের তত্ত্বাবধানে থেকেই শুরু হয়েছিল কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসির মূর্তিটি সরানোর কাজ।পূর্ত দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মেসি মূর্তিটি লোহার কাঠামোতে স্ক্রু দিয়ে বসানো ছিল। সেই স্ক্রু খুলেই মূর্তি কাঠামো থেকে সরানো হয়েছে। হাইড্রলিক ক্রেনের সাহায্যে প্রথমে মূর্তিটিকে সাবধানে পাটাতন থেকে সরিয়ে রাস্তার ওপর নামিয়ে আনা হয় এবং ট্রাকে তোলা হয়। ফুটবলপ্রেমীদের প্রিয় মেসির মূর্তিটিকে অক্ষত অবস্থায় নামিয়ে আনা মোটেই সহজ কাজ ছিলোনা, বরং মেসির সাথে জড়িয়ে আছে অগণিত ভক্তের আবেগ ও শ্রদ্ধ, আর সেই কারণেই মূর্তিটির কোনো প্রকার ক্ষতি না করে সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় নিরাপদভাবে নামিয়ে আনাই ছিল পিডব্লিউডি ইঞ্জিনিয়ারদের কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ।
তবে, মেসির এই মূর্তিটির ভবিষ্যৎ কি হবে তা এখনও পর্যন্ত নির্ধারিত হয়নি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, যে স্থানে মূর্তিটি এতদিন ছিল, সেখানেই সব নিয়ম মেনে, মূর্তিটি আবারও স্থাপন করা যায় কিনা সেই বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই মূর্তিটিকে সরিয়ে ইকো পার্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, আগের জায়গায় মেসিকে ফেরানো সম্ভব না হলে ইকো পার্কেই মূর্তিটি হয়তো স্থাপন করা হতে পারে, তবে সবটাই নির্ভর করছে রাজ্যসরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপরে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *