এবার TMC পঞ্চায়েত সদস্যদের বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ ঘোলায়
২০১৫ সালের রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে ঘোলা থানায় অভিযোগ দায়ের এলাকাবাসীর। নিম্নমানের নির্মাণকাজ, একাধিক প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য, পঞ্চায়েত সমিতির পদাধিকারী ও প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা : রাজ্যে রাজনৈতিক পালা বদলের পরে থেকেই সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল সরকারের নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির খতিয়ান জনসমক্ষে আসছে। রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকার তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের শাসনকালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতির তদন্তে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের বিস্ফোরক অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নেতৃত্বে ১টি বিচার কমিশন গঠন করা হয়েছে, নেওয়া হচ্ছে আইনী পদক্ষেপ। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিলকান্দা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম। এই পঞ্চায়েতের অধীনে রাস্তা তৈরীর জন্য সরকারী বরাদ্দের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে পঞ্চায়েত সদস্য-সদস্যদের বিরুদ্ধে।অভিযোগ, ২০১৫ সালে বিলকান্দা-২ পঞ্চায়েত থেকে মুড়াগাছা মোড়লপাড়া মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা তৈরীর জন্য সরকারের তরফে ৩৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিলো। কিন্তু ওই এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তৈরী সেই রাস্তা। সেই সময়ে এই অভিযোগ উঠলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয় প্রশাসন। আর এবার পালা বদলের পর সেই পুরোনো অভিযোগ নিয়ে সরব হলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এদিন ঘোলা থানায় বিলকান্দা-২`র পঞ্চায়েত সদস্য আকবর মন্ডল,ব্যারাকপুর-২`র পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সুপ্রিয়া ঘোষ,ব্যারাকপুর-২`র পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য গৌরাঙ্গ সাহা,সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি জাফর মন্ডল, পঞ্চায়েত সদস্য সচিন হালদার এবং পঞ্চায়েত প্রধান দীপা পাইকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালেন এলাকাবাসীরা।
আর এই ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়, শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।



