রাজ্য জুড়ে চলছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ, এবার খড়দহতেও চললো আধাসেনার টহলদারি
গোটা রাজ্যের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগণাতেই সবচেয়ে বেশি মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।৫৮ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন হয়েছে সেখানে। কলকাতায় থাকছে ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর এদিন রহড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের নেতৃত্বে রুটমার্চ করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
নিজস্ব সংবাদদাতা : কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না – আগেই স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলো নির্বাচন কমিশন(Election Commission) । শুধু তাই নয়, বেনজিরভাবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) নির্ঘন্ট ঘোষণা আগেই রাজ্যে দুদফায় এসেছে মোট ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এক একটি কোম্পানিতে আনুমানিক ১০০-১২০ জন সদস্য থাকে। তাই সবমিলিয়ে ভোট পর্বে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজ্যে প্রায় ৫০,০০০ সেনা মোতায়েন থাকবে। সেই সঙ্গে কোথায় কত কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন থাকবে তাও স্থির করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এবার ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই সক্রিয় আধাসেনা বাহিনী।
আমজনতাকে আশস্ত করতে ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রুটমার্চ চালাচ্ছে তারা। আর সারা রাজ্যের পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগণার রহড়ায় (Rahara) এদিন চললো আধাসেনার টহলদারি। প্রসঙ্গত গোটা রাজ্যের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগণাতেই(North 24 Pargana) সবচেয়ে বেশি মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।৫৮ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন হয়েছে সেখানে। কলকাতায় থাকছে ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর এদিন রহড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের নেতৃত্বে রুটমার্চ করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে শুধুমাত্র আধাসেনার চেনা ভঙ্গির রুটমার্চ নয়, জনসংযোগ করতেও দেখা গেল তাদের। স্থানীয় বাসিন্দাদের কোনো অসুবিধা হচ্ছে কিনা কিংবা তারা কোনো হুমকি পেয়েছেন কিনা সে বিষয়েও এলাকাবাসীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা গেলো পুলিশ কর্তাদের।
আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যে ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছেন নানান রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরাও। আর সেই সঙ্গে সাধারণের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সক্রিয় পুলিশ প্রশাসন সহ কেন্দ্রীয় বাহিনীও। রুট মার্চের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মূলত এলাকা পরিচিতির কাজ করেন। এবারের বিধানসভা নির্বাচন নিঃসন্দেহে অন্যরকম। আর তাই ভোট ঘোষণার রাজ্যে চলে এসেছে আধাসেনা বাহিনী। শান্তিপূর্ণভাবে যাতে ভোট সম্পন্ন করা যায় সেই লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এখনো রাজ্যের একাধিক স্থানে টহল দিচ্ছে। শেষেমেষ ভোটে হিংসার ছবি বদলায় কিনা সেটাই এখন দেখার।


