তিলজলায় বাড়ি ভাঙার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ! তবে পুনর্বাসন পাবেননা বাসিন্দারা
আদালত জানায় যে, বর্তমানে ভবনটি যে অবস্থায় আছে, সেই অবস্থাতেই রাখতে হবে। যদি ভাঙা অংশের মধ্যে কোনো অংশ বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকে, তাহলে পুরসভা বাড়ির মালিকের সঙ্গে আলোচনা করে সেই অংশটুকু ভাঙতে পারবে। তবে ওই ঠিকানায় এখন কোনো ব্যবসা করা যাবে না এবং সেখানে কেউ থাকতেও পারবে না। সেখানকার কোনো বাসিন্দা আপাতত পুনর্বাসন পাবেন না, এমনকি ভাঙা অংশ মেরামতও করা যাবে না।

নিজস্ব সংবাদদাতা : তিলজলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বেআইনি সম্পত্তি ভাঙার উপর অন্তরবর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট ৷ আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বুলডোজার দিয়ে ওই সম্পত্তি ভাঙা যাবে না। তবে, আদালত এটাও জানিয়েছে যে সেখানকার কোনও বাসিন্দার পুনর্বাসনের ব্যবস্থা আপাতত করা হচ্ছে না। রাজ্য সরকারের ‘বুলডোজার অভিযান’ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট কড়া নজর রাখছে।
বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর এজলাসে তিলজলার ওই বিল্ডিং ভাঙার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলে আদালত জানায় যে, বর্তমানে ভবনটি যে অবস্থায় আছে, সেই অবস্থাতেই রাখতে হবে। যদি ভাঙা অংশের মধ্যে কোনো অংশ বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকে, তাহলে পুরসভা বাড়ির মালিকের সঙ্গে আলোচনা করে সেই অংশটুকু ভাঙতে পারবে। তবে ওই ঠিকানায় এখন কোনো ব্যবসা করা যাবে না এবং সেখানে কেউ থাকতেও পারবে না। সেখানকার কোনো বাসিন্দা আপাতত পুনর্বাসন পাবেন না, এমনকি ভাঙা অংশ মেরামতও করা যাবে না। আদালত আপাতত ওই জায়গাটিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
এই দিনের শুনানির সময় বিচারপতি তিলজলা ও তপসিয়া সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক বেআইনি নির্মাণ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। আদালত স্মরণ করিয়ে দেয় যে এই সংক্রান্ত নির্দেশ আগে থেকে দেওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বিচারপতি পর্যবেক্ষণে আরও জানান যে আগের সরকারের সময়ে এ বিষয়ে এক ধরনের ‘নিষ্ক্রিয়তা’ দেখা গিয়েছিল। আগামী ২২ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।



