গঙ্গাসাগরে রাতারাতি TMC কার্যালয় বদলে গেলো মন্দিরে!
৪ঠা মে ফল ঘোষণা হতেই রাজ্যের একাধিক জায়গায় হয় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর নয়তো প্রাক্তন শাসক দলের একাধিক পার্টি অফিস দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠছিলো বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এবার তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের সম্পূর্ণ ভোলবদল। স্থানীয় সনাতনীদের উদ্যোগে সেই কার্যালয়ই হয়ে উঠেছে বড় ঠাকুর এবং শ্যামা মায়ের মন্দির।
নিজস্ব সংবাদদাতা: ছিলো তৃণমূল (TMC) কার্যালয় কিন্তু রাতারাতি হয়ে গেলো মন্দির ! চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী গঙ্গাসাগরের (Gangasagar) বামনখালি এলাকা। বঙ্গে এখন বিজেপি সরকার। আর ৪ঠা মে ফল ঘোষণা হতেই রাজ্যের একাধিক জায়গায় হয় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর নয়তো প্রাক্তন শাসক দলের একাধিক পার্টি অফিস দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠছিলো বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এবার তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের সম্পূর্ণ ভোলবদল। স্থানীয় সনাতনীদের উদ্যোগে সেই কার্যালয়ই হয়ে উঠেছে বড় ঠাকুর এবং শ্যামা মায়ের মন্দির। তৃণমূলের অভিযোগ, তাদের পার্টি অফিস জোর করে দখল করেছে বিজেপি।আর সেটিকে মন্দিরে রূপান্তরিত করেছে। অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ৪ ঠা মে স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা স্বেচ্ছায় তাদের হাতে বামনখালীর ওই কার্যালয়ের চাবি তুলে দিয়েছিলেন। তবে সেখানে নিজেদের কার্যালয় না করে ওই অফিসটি স্থানীয় সনাতনীদেরকে হস্তান্তর করেন তারা। আর এক সনাতনী স্বীকার করলেন যে আগে মন্দিরটি তৃণমূলের কার্যালয়ই ছিল। তবে দুটি স্কুলের মাঝে সেই পার্টি অফিস থাকায় তা প্রথম থেকেই দৃষ্টিকটু লাগতো তাদের। এমনকি তাঁর অভিযোগ, বাধা দেওয়া হলেও তা পরোয়া না করেই কার্যালয় খোলে তৃণমূলের কর্মীরা। তবে ৪ ঠা মে ফল ঘোষণার পর বাংলার মসনদে বিজেপি বসতেই রাজ্যে শুরু হয়েছে পালাবদলের হাওয়া। আর সেই ‘পরিবর্তনের’ আবহে এবার তৃণমূল কার্যালয় বদলে গেলো মন্দিরে। এদিন রীতিমতো সাজ সাজ রব ছিল মন্দির প্রাঙ্গনে।বিজেপির দাবি, মন্দির তৈরি হওয়ায় খুশি স্থানীয়রা। তবে তৃণমূলের কার্যালয় মন্দিরে পরিণত হওয়ায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে এলাকায়।



