কঠোর নিয়মে বাঁধা সিআরপিএফদের জীবন, তবে তাদের পেশাগত ক্ষেত্রেই অনিয়ম ? অসন্তোষ পরিদর্শক বাহিনীর
অভিযোগ, ২০০৪ সালে সাব- ইন্সপেক্টর পদে যোগ দিয়ে ২০ বছর পরে ইন্সপেক্টর পদে উন্নীত হলেও অপারেশনাল ক্ষেত্রে তাদের দায়িত্ব বাড়েনি। বরং কর্মজীবন শুরু করার সময় যে কাজ করতেন তারা ২০ বছর পরেও সেই একই স্তরে আটকে রয়েছে তাদের কাজের পরিসর।
নিজস্ব সংবাদদাতা : সাব ইন্সপেক্টর থেকে ইন্সপেক্টর। আপাতভাবে দেখতে গেলে পদের ওজন বেড়েছে। তবে বাড়েনি দায়িত্ব। আর তাই দিনকেদিন অসন্তোষ বাড়ছে সিআরপিএফ পরিদর্শক বা ইন্সপেক্টরদের মধ্যে। দিনরাত প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে নীরবেই যারা আমাদের দেশকে রক্ষা করছেন তাদেরও একাধিক পেশাগত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। যাদের দৈনন্দিন জীবন একবারে নিয়মে বাঁধা, তাদেরই পেশাতে রয়েছে অনিয়মের কালো ছায়া। অভিযোগ অন্তত তেমনটাই।
মূলত দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে আধাসামরিক বাহিনী বা সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স। অভিযোগ, ২০০৪ সালে সাব- ইন্সপেক্টর পদে যোগ দিয়ে ২০ বছর পরে ইন্সপেক্টর পদে উন্নীত হলেও অপারেশনাল ক্ষেত্রে তাদের দায়িত্ব বাড়েনি। বরং কর্মজীবন শুরু করার সময় যে কাজ করতেন তারা ২০ বছর পরেও সেই একই স্তরে আটকে রয়েছে তাদের কাজের পরিসর।সেনা জওয়ানদের নেতৃত্ব দেওয়া থেকে শুরু করে জঙ্গি দমন অভিযান সবক্ষেত্রেই দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেন এই পরিদর্শক বা ইন্সপেক্টর বাহিনী। তবে কার্যক্ষেত্রে দায়িত্বের পরিধি বৃদ্ধিতে দীর্ঘ বিলম্বের জেরে জেরবার তাঁরা।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আর সেই ঘোষণার আগেই রাজ্যে চলে এসেছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বিঘ্নে ভোট সম্পূর্ণ করতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন। তাই রাজ্যে আইন -শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে এবার সেন্ট্রাল ফোর্সকে আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। তবে তার মাঝেই আধা সামরিক বাহিনীর পরিদর্শকের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ প্রকাশ্যে। কবে তাদের সমস্যার সমাধান হয় সেটাই এখন দেখার।



