পশ্চিমবঙ্গ

২০০২’র তালিকায় নাম ছিল,তবুও “ডিলিটেড” ! ফের প্রশ্নের মুখে সংশোধিত ভোটার তালিকা

বারাসত বিধানসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ২৬২ ও ২৬৩ নম্বর বুথের ভোটারদের মধ্যে মোট ১৯১ জনের নাম বিচারাধীন ছিল। আর এদিন সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরোতেই কার্যত হতবাক হয়ে গিয়েছেন বাসিন্দারা। ১০৫ জনকেই বাদের তালিকায় ফেলা হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা: অতি সম্প্রতি প্রকাশিত সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট(Supplementary Voter List) ঘিরে বিতর্ক অব্যাহত। ১৯১ জন বিচারাধীনের মধ্যে ১০৫ জনের নামই বাদ পড়লো। সেই সঙ্গে হিয়ারিং পর্বে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার পরও এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও ভোটাধিকার হারিয়েছেন এক বৃদ্ধ! সেই সঙ্গে ২০০২’র তালিকায় নাম থাকলেও সংশোধিত ভোটার লিস্টে “ডিলিটেড” হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন আরও এক প্রৌঢ়া। এমনি সব চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠছে বারাসত (Barasat) বিধানসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ২৬২ ও ২৬৩ নম্বর পার্টে।

সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট বুথের ভোটারদের মধ্যে মোট ১৯১ জনের নাম বিচারাধীন ছিল। আর এদিন সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরোতেই কার্যত হতবাক হয়ে গিয়েছেন বাসিন্দারা। ১০৫ জনকেই বাদের তালিকায় ফেলা হয়েছে। আর এখানেই একাধিক প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, বাদ যাওয়া ভোটারদের মধ্যে অনেকেই ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে বাস করছেন। অনেকের পূর্বপুরুষ আবার স্বাধীনতার আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় থাকতেন। তাহলে কিভাবে তাদের নাম বাদ পড়লো ?এমনকি এক বৃদ্ধের দাবি, হিয়ারিং এর সময় তিনি আধার ও ভোটার কার্ড ছাড়াও পাসপোর্ট জমা দিয়েছিলেন। তবুও সংশোধিত ভোটার লিস্টে তিনি “ডিলিটেড” হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।অন্যদিকে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও কিভাবে তিনি ভোটারাধিকার হারালেন সেই চিন্তাতে ঘুম উড়েছে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের এক প্রৌঢ়ার।আপাতত আতঙ্কের প্রহর গুনছেন তিনি। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রস্তুত করা ভোটার তালিকা নিয়ে যখন একের পর এক বিতর্ক দানা বাঁধছে তখন বারাসত বিধানসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ২৬২ ও ২৬৩ নম্বর পার্টের ভোটারদের স্পষ্ট বক্তব্য- প্রকৃত ভোটারদের বাদ দিয়ে কোনোভাবেই ভোট করা যাবে না। সেই সঙ্গে যোগ্যদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা।

ভোটার তালিকায় আবার কিভাবে নাম তুলবেন ? আদৌ কি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election) ভোট দিতে পারবেন তাঁরা ? সেই প্রসঙ্গে নেই কোনো নির্দেশিকা। চিন্তার ভাঁজ “ডিলিটেড” ভোটারদের কপালে।বিতর্কের শেষ কবে ? উত্তর লুকিয়ে সময়ের গর্ভে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *