‘পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে স্টেশন খালি করুক’-বারুইপুরে হকার উচ্ছেদ অভিযান রুখলো বামেরা
গত ২৬ তারিখের মধ্যে দোকান খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে নোটিস টাঙানো হয় বারুইপুর স্টেশনের ওপরে থাকা বিভিন্ন দোকানে। আর তারপর এদিন সেই দোকানগুলি ভেঙে ফেলতে আসেন রেল কর্তৃপক্ষ। তবে তাঁর বিরোধিতা করে হকারদের নিয়ে মিছিল করে বামেদের শ্রমিক সংগঠন সিটু।
৭এ নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে পালাবদল হতেই একদিকে যেমন রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন রেল স্টেশনে শুরু হয়েছে হকার উচ্ছেদ অভিযান তেমনি জোরকদমে চলছে সেই উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদ কর্মসূচি। এদিন সকালে বারুইপুর স্টেশনে হকার উচ্ছেদ অভিযানে নামে রেল কর্তৃপক্ষ। আর তার বিরোধিতা করতে ময়দানে নামে স্থানীয় বাম নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত, অতি সম্প্ৰতি সোদপুর স্টেশনে হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন বাম নেতা কলতান দাশগুপ্ত (kalatan dasgupta), সিটু নেত্রী গার্গী চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্য বাম কর্মী-সমর্থকেরা। সেই সঙ্গে অবশ্যই নিজেদের রুটি-রুজি জোগাড়ের ঠিকানা বাঁচাতে একজোট হয়ে পথে নামেন সমস্ত হকারেরা। এদিন তেমনি বারুইপুর (Baruipur) স্টেশনে দেখা গেল সেই প্রতিবাদের ছবিটা। সূত্রের খবর, গত ২৬ তারিখের মধ্যে দোকান খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে নোটিস টাঙানো হয় স্টেশনের ওপরে থাকা বিভিন্ন দোকানে। আর তারপর এদিন সেই দোকানগুলি ভেঙে ফেলতে আসেন রেল কর্তৃপক্ষ। তবে তাঁর বিরোধিতা করে হকারদের নিয়ে মিছিল করে বামেদের শ্রমিক সংগঠন সিটু (CITU)। হকারদের পুনর্বাসন না দিয়ে কোনোভাবেই তাদের দোকান উচ্ছেদ করা যাবেনা। স্পষ্ট বক্তব্য আন্দোলনকারী সিটু নেতৃত্বের।
আর এদিন উচ্ছেদ অভিযান ও তার পাল্টা প্রতিবাদ কর্মসূচিকে ঘিরে প্রবল উত্তেজনা ছড়ায় বারুইপুর স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায়। গোটা রাজ্যে যেমন হকারদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সঙ্গে আন্দোলনে শামিল হচ্ছে বামেরা, তেমন বারুইপুরেও এদিন দেখা মিললো সেই বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের ছবিটাই। শেষেমেশ হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে কি রাজ্য সরকারের সুর নরম হবে ? পুনর্বাসন পাবেন তারা ? উত্তর লুকিয়ে সময়ের গর্ভে।



