উত্তর দমদমের পর এবার কামারহাটী, বিক্ষোভে অস্থায়ী কর্মীরা, উত্তপ্ত রথতলা
এবার আবারো পথে অস্থায়ী কর্মীরা। পৌরসভার নাম বদলেছে, তবে পরিবর্তন হয়নি দাবি-দাওয়া। বিক্ষোভরত কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাড়েনি তাদের বেতন।'স্থায়ী' হননি কামারহাটী পৌরসভার অস্থায়ী কর্মীরা। কোনো কর্মীর ৬০ বছরের কোঠা পেরোলেই তাঁকে কোনো রকম আর্থিক সাহায্য ছাড়াই কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নিকাশি থেকে সাফাই কর্মী - তীব্র গরমের কাজ করতে গিয়ে কোনো অস্থায়ী কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করেনা পৌরসভা।
৭এ নিউজ ডেস্ক: উত্তর দমদমের (North Dumdum) পর এবার কামারহাটী (kamarhati)। আবারো অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভে উত্তেজনা ছড়ালো শহরতলীর আরও এক পৌরসভার সামনে। প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন আগে কাজের নিশ্চয়তা, বেতন বৃদ্ধি সহ একাধিক দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন উত্তর দমদম পৌরসভার অস্থায়ী এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা। আর কর্মীদের সেই আন্দোলনের সঙ্গী হয়েছিলেন বামেদের শ্রমিক সংগঠন সিটু নেত্রী গার্গী চট্টোপাধ্যায়, বাম নেত্রী দীপ্সিতা ধর (Dipsita Dhar)। এবার আবারো পথে অস্থায়ী কর্মীরা। পৌরসভার নাম বদলেছে, তবে পরিবর্তন হয়নি দাবি-দাওয়া। বিক্ষোভরত কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাড়েনি তাদের বেতন।’স্থায়ী’ হননি কামারহাটী পৌরসভার অস্থায়ী কর্মীরা। কোনো কর্মীর ৬০ বছরের কোঠা পেরোলেই তাঁকে কোনো রকম আর্থিক সাহায্য ছাড়াই কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নিকাশি থেকে সাফাই কর্মী – তীব্র গরমের কাজ করতে গিয়ে কোনো অস্থায়ী কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করেনা পৌরসভা।
অস্থায়ী কর্মীদের আরও অভিযোগ, পৌরসভার তৎকালীন পৌরপ্রধান গোপাল সাহার কাছে বেতন বৃদ্ধির দাবি জানাতে গেলে জোটে খারাপ ব্যবহার। এমনটাই অভিযোগ আন্দোলনকারী অস্থায়ী কর্মীদের। তবে বঙ্গে পালাবদল হতেই একের পর এক পৌরসভায় যখন একাধিক দাবিকে সামনে রেখে প্রতিবাদে গর্জে উঠছেন অস্থায়ী এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা তখন সেই তালিকায় নাম লেখালেন কামারহাটি পৌরসভার পৌরকর্মীরাও। এদিন তাই জরুরী পরিষেবা ছাড়া অন্যান্য নাগরিক পরিষেবা বন্ধ রেখে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন কামারহাটি পৌরসভার বহু অস্থায়ী কর্মীরা। যতদিন না পর্যন্ত তাদের সমস্যা মেটে বন্ধ থাকবে পরিষেবা। স্পষ্ট হুঁশিয়ারি বিক্ষোভকারীদের। বেতন বৃদ্ধি, এককালীন টাকা দিয়ে ষাটোর্ধ অস্থায়ী কর্মীদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া সহ একাধিক দাবি রেখেছেন তারা।
অন্যদিকে পৌরপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেবার আগে গোপাল সাহা জানান – “আন্দোলনকারীদের পাশে আছি।” সেই সঙ্গে আগামী বোর্ড মিটিংয়ে অস্থায়ী কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও জানান। তবে সকালে এই আশ্বাস দেবার পর সন্ধ্যেতেই এক্সিকিউটিভ অফিসারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি। সদ্য প্রাক্তন পৌরপ্রধানের আশ্বাস মতো আগামীতে অস্থায়ী কর্মীদের বেতন কি বাড়বে ? নাকি বিশ বাওঁ জলে তাদের দাবি দাওয়া পূরণের সম্ভাবনা? উত্তর লুকিয়ে সময়ের গর্ভে।



