দীঘার জগন্নাথ মন্দির আর “ধাম” নয়, নতুন নাম “শ্রী শ্রী জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র”, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
আসলে হিন্দু ধর্মে আদি শঙ্করাচার্য প্রতিষ্ঠিত ৪টি পবিত্র তীর্থস্থানকে "ধাম" বলে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে, সেগুলি হলো- ১) বদ্রীনাথ, ২) দ্বারকা, ৩) জগন্নাথ ধাম-পুরী আর ৪) রামেশ্বরম। আর ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর থেকে পাওয়া চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার মন্ত্রিসভায় আলোচনার পর জানিয়ে দেন, দীঘার "জগন্নাথ ধাম" নামটির থেকে "ধাম" শব্দটি বাদ দেওয়া হলো।
৭এ নিউজ ডেস্ক: এবার দীঘায় মমতা ব্যানার্জীর (Mamata Banerjee) সাধের “জগন্নাথ ধাম” থেকে বাদ গেলো “ধাম” শব্দটি। বিতর্ক শুরু হয়েছিল পুরীর জগন্নাথ ধামের আদলে দীঘাতে মন্দিরটি (Digha Jagannath Mandir) তৈরীর সময় থেকেই। রাজ্যে পালা বদলের পরেই ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি তার মন্ত্রিসভার সদস্য সম্বিৎ পাত্রের হাত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (West Bengal Government)কাছে একটি চিঠি পাঠান। সেই চিঠিতে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন “হিন্দুদের পবিত্র চারধামের একটি পুরীর জগন্নাথ ধাম (Puri Jagannath Temple)। দিঘার মন্দিরকে জগন্নাথ ধাম বলা বিভ্রান্তিকর।” আসলে হিন্দু ধর্মে আদি শঙ্করাচার্য প্রতিষ্ঠিত ৪টি পবিত্র তীর্থস্থানকে “ধাম” বলে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে, সেগুলি হলো- ১) বদ্রীনাথ, ২) দ্বারকা, ৩) জগন্নাথ ধাম-পুরী আর ৪) রামেশ্বরম। আর সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার মন্ত্রিসভায় আলোচনার পর জানিয়ে দেন, দীঘার “জগন্নাথ ধাম” নামটির থেকে “ধাম” শব্দটি বাদ দেওয়া হলো। এখন থেকে দিঘার জগন্নাথ ধামের নাম বদলে হবে “শ্রী শ্রী জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র”। সেখানে “পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের নিয়ম মেনে জগন্নাথ মন্দিরে পুজো হবে।দীঘার মন্দিরের পরিচালন সমিতিকে এই বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। ওয়েবসাইটেও সব তথ্য দেওয়া হবে।”
মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন এই মন্দিরের উদ্বোধন করেছিলেন ২০২৫ সালের ৩০শে এপ্রিল অক্ষয়তৃতীয়ার দিনে। মনোরম এই মন্দিরটি অচিরেই জনপ্রিয়তা লাভ করে। ক্রমশ ভক্তদের ভীড় বাড়ায় এখানে ১টি হোটেল তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে হিডকো, যারা এই মন্দিরটির নির্মাণ কাজও করেছিল। বর্তমানে আগাম বুকিংয়ের মাধ্যমে ভক্তরা তিন বেলা আট রকম মহাপ্রসাদ পাচ্ছেন।



