তীর্থঙ্কর ঘোষ গ্রেপ্তার হবার পর সজল ঘোষের প্রশ্ন “বাকিগুলো বাইরে কেন ?
তীর্থঙ্কর ঘোষ গ্রেপ্তারের পর পানিহাটীতে গ্রেপ্তার কাউন্সিলরের সংখ্যা বেড়ে ৪। পৌর পরিষেবার বেহাল অবস্থা নিয়ে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের তীব্র আক্রমণ—‘দুর্নীতিপরায়ণ কাউন্সিলররা এখনও জেলের বাইরে কেন?’ মন্তব্য ঘিরে শুরু রাজনৈতিক বিতর্ক।

নিজস্ব সংবাদদাতা : নির্মল পুত্র, পানিহাটী পৌরসভার জল সরবরাহ বিভাগের CIC তীর্থঙ্কর ঘোষ গ্রেপ্তার হবার পর পানিহাটীতে কাউন্সিলর গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪। তীর্থঙ্কর ঘোষ গ্রেপ্তার হবার অনেক আগেই গ্রেপ্তার হয়েছেন ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা শম্ভুনাথ চন্দ। তারপরেই গ্রেপ্তার হয় পৌরাঞ্চলের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের দাবাং কাউন্সিলর জয়ন্ত দাস ওরফে গোবিন্দ। তাকেও আদালতের পথে ডিম থেরাপীর শিকার হতে হয়েছিল BJP কর্মীদের হাতে, আর সদ্য গ্রেপ্তার হয়েছেন ২৫নম্বর ওয়ার্ডের হিমাংশু দেব। একমাত্র উপ পুরপ্রধান সুভাষ চক্রবর্তী ছাড়া নিয়মিত পৌরসভায় আসছেন না তৃণমূল কাউন্সিলর সহ স্বয়ং পৌরপ্রধান সোমনাথ দেও। শোনা যাচ্ছে বিভিন্ন অভিযোগে বেশিরভাগ কাইন্সিলরেরাই নাকি এলাকা ছেড়েছেন। ফলে এই বর্ষার বাজারে পানিহাটী কার্যত অবিভাবক শুন্য হয়ে জলে, আবর্জনায় হাবুডুবু খাচ্ছে। প্রতিকারের কোন লক্ষনই দেখা যাচ্ছে না পৌরসভার পক্ষ থেকে। আর এ বিষয়ে বিজেপি নেতা, বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষ পানিহাটির মাটিতে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করে প্রশ্ন তুললেন, “পানিহাটীর দুর্নীতিপরায়ণ কাউন্সিলরেরা এখনও জেলের বাইরে কেন?” পাশাপাশি প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ সম্পর্কে তার মন্তব্য, “এই নামটা রাখলো কে?”
আর সজল ঘোষের এই মন্তব্যের পরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।



