হেলমেট ছাড়াই বিলাসবহুল বাইকে সওয়ার দিলীপ ঘোষ ! নিয়ম মানার বার্তার পরিবর্তে বেনিয়মের দৃষ্টান্ত স্থাপন
প্রতিদিন সকালে নিউটাউনের ইকো পার্কে দুদে রাজনীতিকের প্রাতর্ভ্রমণ রাজনীতি সচতেন মানুষের কাছে নতুন কিছু নয়। এবার সেই তিনি প্রাতর্ভ্রমণের সময় সওয়ার হলেন ২০০০ সিসির বাইকে। ৫৩ লাখি সেই বাইক ছোটালেন নিজেই। তবে একদিকে যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাইক চালানোর সময় চালক ও যাত্রীদের হেলমেট পড়া বাধ্যতামূলক করেছেন, তখন বিলাসবহুল বাইক চালানোর সময় তাঁর দলেরই বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রীর মাথায় হেলমেট নেই !
৭এ নিউজ ডেস্ক: তিনি অভিজ্ঞ বিজেপি (BJP) নেতা, আবার তিনি মানেই মাঝেমধ্যে বিতর্কিত মন্তব্যের আনাগোনা, আবার সেই তিনিই সর্বদা খোশমেজাজে থাকতেই পছন্দ করেন। হ্যাঁ অবশ্যই কথা হচ্ছে, খড়্গপুর সদরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh) নিয়ে। প্রতিদিন সকালে নিউটাউনের ইকো পার্কে দুদে রাজনীতিকের প্রাতর্ভ্রমণ রাজনীতি সচতেন মানুষের কাছে নতুন কিছু নয়। এবার সেই তিনি প্রাতর্ভ্রমণের সময় সওয়ার হলেন ২০০০ সিসির বাইকে। ৫৩ লাখি সেই বাইক ছোটালেন নিজেই। তবে একদিকে যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বাইক চালানোর সময় চালক ও যাত্রীদের হেলমেট পড়া বাধ্যতামূলক করেছেন, তখন বিলাসবহুল বাইক চালানোর সময় তাঁর দলেরই বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রীর মাথায় হেলমেট নেই ! নিয়ম মানার পরিবর্তে বিধায়কের বাইক সফরে বেনিয়মের দৃষ্টান্ত স্থাপিত হওয়া নিয়ে যখন একদিকে সরব হতে শুরু করেছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ, তখন নেতার বাইক চালানোর দক্ষতা দেখে রীতিমতো উচ্ছসিত তাঁর অনুগামীরা।উল্লেখ্য, বঙ্গ বিজেপিতে দিলীপ ঘোষের উত্থান-পতনের কাহিনী সিনেমার ক্লাইম্যাক্সকেও হার মানায়। একসময়ের বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হাত ধরেই বাংলায় বিজেপির ঘাঁটি শক্ত হয় বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। তবে আচমকাই দল থেকে খানিক ‘ব্রাত্য’ হয়ে পড়েন তিনি। সেই সঙ্গে তাঁর বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি।তবে খানিক প্রত্যাশিতভাবে সেসবে দিলীপ ঘোষ খুব একটা পরোয়া করেননি। বিজেপি নেত্রী রিংকু মজুমদারের সঙ্গে দিব্য দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। বিয়ের পর পরই সস্ত্রীক দিলীপ ঘোষ রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে নির্মিত দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় দিলীপের দল বদলের গুঞ্জন। তবে না, সেসব জল্পনাকে উড়িয়ে পদ্ম শিবিরের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবেই ছিলেন, বলা ভালো আছেন। আর ২০২৬ ‘র নির্বাচনের আগে দলে ধীরে ধীরে গুরুত্ব বাড়তে থাকে তাঁর। এমনকি বিজেপির টিকিটে খড়্গপুর সদর থেকে ভোটে জিতে বিধায়কও হন। এখন তিনি রাজ্যের মন্ত্রী। তবে দিনে দিনে পদমর্যাদা বাড়লেও বদল হয়নি তাঁর সকালের অভ্যেস। এদিন মর্নিং ওয়াকে গিয়ে সারলেন বাইক-সফরও। তবে রয়ে গেলো একটি কাঁটা। ‘হেলমেট’ ছাড়াই বাইক যাত্রা করেছেন তিনি। দিলীপ ঘোষের বিলাসবহুল বাইক চালানোর ভিডিও যেমন ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল তেমনি তাঁর ‘হেলমেটহীন’ সফর নিয়েও শুরু হয়েছে চর্চা।



