কলকাতা

বিজেপির “ডিম থেরাপী”র পাল্টা তৃণমূলের “মার”

এদিন রাতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সাথে দেখা করে চার্টার্ড বিমানে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছাবার আগেই বাইরে ডিম হাতে জড়ো হন বেশ কিছু বিজেপি কর্মী, পাল্টা জমায়েত করে তৃণমূল সমর্থকেরাও। আর তারপরেই পুলিশের সামনে বিমানবন্দরের ভিতরেই দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে মারামারি শুরু হলে সৃষ্টি হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। 

৭এ নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল জমানায় বাংলায় ডিমভাত সংস্কৃতি চালু ছিল বলে একটা ধারণা রয়েছে সাধারণের মনে। আর ২৬এর বিধানসভা ভোটে তৃণমূল (TMC) বিদায়ের পর সেই ডিমভাত সংস্কৃতি বদলে গিয়ে তৈরী হয়েছে “ডিম থেরাপী।” রাস্তাঘাটে , অফিস, আদালতে তৃণমূল নেতা, মন্ত্রী, সাংসদরা এখন শিকার হচ্ছেন তথাকথিত সাধারণ মানুষের “ডিম থেরাপী”র। সে তিনি বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়ই হন বা তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জী। “”ডিম থেরাপী”র গুনাগুন এখনও পরীক্ষিত হয়নি। গত ৩০শে মে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সোনারপুরে ভোট-পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেলে স্থানীয় মানুষ ও বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishekh Banerjee)।ওই সময় তাঁর দিকে ডিম ও পাথর ছোড়া হয় এবং “চোর চোর” স্লোগান দেওয়া হয়। আর এদিন রাতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সাথে দেখা করে চার্টার্ড বিমানে কলকাতা বিমানবন্দরে (Kolkata Airport) পৌঁছাবার আগেই বাইরে ডিম হাতে জড়ো হন বেশ কিছু বিজেপি কর্মী, পাল্টা জমায়েত করে তৃণমূল সমর্থকেরাও। আর তারপরেই পুলিশের সামনে বিমানবন্দরের ভিতরেই দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে মারামারি শুরু হলে সৃষ্টি হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি।

৪ঠা মে নির্বাচনের ফল বার হবার পর থেকে দলের নেতৃত্বের কোন্দলে একেবারে ব্যাকফুটে চলে গেছে সাধারণ তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা, কিন্তু এদিন বিমানবন্দরে যে রনংদেহী মুডে দেখা গেলো তৃণমূল সমর্থকদের, তাতে কি বলা যাবে “নেতৃত্বের যাবতীয় দুর্নীতিকে পিছনে ফেলে আবার ফিরে দাঁড়াতে চাইছে সাধারণ তৃণমূল কর্মীরা”?

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *