ফুলে, মোমবাতিতে, প্রার্থনায় ইস্টার স্যাটারডে আগরপাড়ায় !
যীশুর পুনরুত্থানের দিনটিই খ্রিস্টিয় ক্যালেন্ডারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব,যে দিনটি ইস্টার সানডে বা পবিত্র রবিবার হিসেবেই পরিচিত। খ্রিস্টানদের কাছে এই দিনটি পাপ, অন্ধকার ও মৃত্যুর বিরুদ্ধে জয় এবং নতুন জীবনের বার্তা বহন করে চলেছে।
আজ ইস্টার সানডে, খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎসব। খ্রিস্টীয় ক্যালেন্ডার অনুসারে, ২১শে মার্চ অর্থাৎ মহাবিষুবের পরে আকাশে যখন প্রথম পূর্ণ চাঁদ দেখা যায়, ঠিক তার পরের রবিবারেই পালন করা হয় ইস্টার সানডে। সেই অনুযায়ী, আজ বিশ্বব্যাপী খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরা পালন করছে ইস্টার সানডে। কথিত আছে, গুড ফ্রাইডের দিন যিশুখ্রিষ্টকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছিল, তারপর গোটা একটা দিন অর্থাৎ শনিবার, যে দিনটিকে ইস্টার স্যাটারডে বলা হয়, গোটা একটা দিন কবরে শায়িত ছিলেন যিশু। মৃত্যুর তৃতীয় দিন অর্থাৎ রবিবার যিশুর পুনরুত্থান হয়। আর যীশুর এই পুনরুত্থানের দিনটিই খ্রিস্টিয় ক্যালেন্ডারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব,যে দিনটি ইস্টার সানডে বা পবিত্র রবিবার হিসেবেই পরিচিত। খ্রিস্টানদের কাছে এই দিনটি পাপ, অন্ধকার ও মৃত্যুর বিরুদ্ধে জয় এবং নতুন জীবনের বার্তা বহন করে চলেছে।
আর এদিন আগরপাড়া ইলিয়াস রোডের একটি সমাধিক্ষেত্রে মহাসমারোহে এবং ধর্মীয় গাম্ভীর্যে পালিত হলো ইস্টার স্যাটারডে এবং ইস্টার সানডে। কবরে শায়িত থাকা প্রিয়জনের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা জানিয়ে প্রার্থনা করা হয়, নানা ফুলে, মোমবাতিতে সাজিয়ে তোলা হয় প্রিয়জনের কবরগুলি। তারপর একসাথে প্রার্থনা করে সত্য ও সুন্দরের পথে এগিয়ে যাওয়াই ইস্টার সানডে বা যিশুর পুনরুত্থান দিবসের মূল বাণী, যা আজও অক্ষরে অক্ষরে মেনে ইস্টার স্যাটারডে পালিত হয়ে আসছে বিশ্বজুড়ে।



