বারুইপুরে গ্রেপ্তার লাহেক আলী, চক্রান্তের অভিযোগ CPIM এর
৫ই জুলাইয়ের ঘটনায় উস্কানি, ভাঙচুর ও গণপ্রহারে ইন্ধন এবং যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার CPIM নেতা লাহেক আলী, চক্রান্তের অভিযোগ CPIM এর
নিজস্ব সংবাদদাতা : বারুইপুরে গিয়ে সেখানকার অশান্তির নেপথ্যে রাজনৈতিক যোগ থাকতে পারে বলে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার অভিযোগ ছিল, ‘‘যাঁরা ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন, এর পিছনে তাঁদের উস্কানি রয়েছে।” তার পরের দিনই পুলিশ গ্রেপ্তার করল সিপিএম নেতা, গত বিধানসভায় বারুইপুর পশ্চিমের বামফ্রন্ট প্রার্থী লাহেক আলীকে। গত ৫ জুলাই বারুইপুরের সূর্যপুরে একটি পুকুর থেকে এক নিখোঁজ নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। তার পর পরই অশান্ত হয়ে ওঠে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকা। দফায় দফায় চলে বিক্ষোভ। শুরু হয় রেল এবং পথ অবরোধ। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর এবং পুলিশকর্মীদের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। ওই সময়ে নাবালিকার খুনে জড়িত সন্দেহেগণপ্রহারে মৃত্যু হয় ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল নামের এক যুবকের। পুরো ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভে সামিল ছিলেন স্থানীয় সিপিআইএম নেতা লাহেক আলীও ।
আর ঘটনার সপ্তাহ কেটে যাবার পর রবিবার রাতে লাহেক আলীর বাড়িতে গিয়ে পুলিশ তাকে আটক করে বারুইপুর থানায় নিয়ে আসে। পরে ৫ই জুলাইয়ের ঘটনায় উস্কানি, ভাঙচুর ও গণপ্রহারে ইন্ধন এবং যুক্ত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত এবং রাজ্যকে বিরোধী শূন্য করার ফ্যাসিস্ট আচরণ বলে দাবী করে সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী জানিয়েছেন তারা সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে এই গ্রেপ্তারীর বিরুদ্ধে গণ আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি আদালতেও সত্য প্রকাশের লড়াই লড়বেন, তার আরও মন্তব্য “এভাবে সিপিআইএমকে ভয় দেখানো যাবে না”



