দুষ্কৃতী দৌরাত্ম সোদপুরের সারদাপল্লীতে, মহিলাদের প্রাণনাশের হুমকী, এলাকায় উত্তেজনা
লাকায় মদ,সাট্টা, জুয়ার আসরের প্রতিবাদ করায়, প্রতিবাদী মহিলাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকী দিয়ে যায় একদল দুষ্কৃতী। আর তারপরেই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তেজনা ছড়ায় পানিহাটী পৌরাঞ্চলের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সারদাপল্লী এলাকায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা : দুষ্কৃতী দৌরাত্মে ফের উত্তপ্ত সোদপুর। অভিযোগ, এলাকায় মদ,সাট্টা, জুয়ার আসরের প্রতিবাদ করায়, প্রতিবাদী মহিলাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকী দিয়ে যায় একদল দুষ্কৃতী। আর তারপরেই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তেজনা ছড়ায় পানিহাটী পৌরাঞ্চলের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সারদাপল্লী এলাকায়। প্রতিবাদীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় একটি বাড়িতে সন্ধ্যা হলেই শুরু হতো প্রচুর যুবকদের যাতায়াত, চলতো অবাধ মদ্যপান, সাট্টা ও জুয়ার আসর। আরও মারাত্মক অভিযোগ, ওই যুবকেরা নাকি এলাকার মহিলাদের নানান ভাবে উত্যক্ত করতেও পিছুপা হতো না। গত শনিবার এলাকার মহিলার জোটবদ্ধ হয়ে ওই নির্দিষ্ট বাড়িটিতে গিয়ে ঘটনার প্রতিবাদ করেন। আর তারপরেই, এদিন সন্ধ্যা নামতেই একদল সশস্ত্র যুবক এলাকায় ঢুকে প্রতিবাদী মহিলাদের প্রাণনাশের হুমকী দিয়ে যায়। ঘটনার প্রতিবাদে এলাকার মানুষ একত্রিত হতেই ছড়ায় তীব্র উত্তেজনা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ঘোলা থানার পুলিশ সহ বিশাল সংখক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। ততক্ষনে অবশ্য গা ঢাকা দিয়েছে অভিযুক্তের বাড়ির লোকজনের।
ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে সুপর্ণা আচার্য নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন তার মা`কে যথেচ্ছ ভাষায় হুমকী দিয়ে গেছে দুষ্কৃতীরা, তাদের বাড়ি অভিযুক্তের বাড়ির ঠিক পাশে, সারা রাত ধরে আসর চলায় তারা দীর্ঘদিন ধরে রাতে ঘুমোতে পারেন না।আর এক স্থানীয় বাসিন্দা শঙ্কর মল্লিকের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই অত্যাচার সহ্য করে আসছেন, আর প্রতিবাদ করতেই এই হুমকী।
ঘটনার পর গোটা সারদাপল্লী এলাকা জুড়ে ছড়িয়েছে উত্তেজনার পাশাপাশি তীব্র আতংক। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ সহ বিশাল সংখক কেন্দ্রীয় বাহিনী।



