কলকাতাবিনোদন

ফ্ল্যাট জালিয়াতির তদন্তে ফের সক্রিয় ইডি, প্রাক্তন সাংসদ নুসরতকে তলব করে সিজিও কমপ্লেক্সে জিজ্ঞাসাবাদ

তদন্তের মূল বিষয় হল রাজারহাটের একটি আবাসন প্রকল্প। অভিযোগ উঠেছে ,অনেক ক্রেতার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া সত্ত্বেও তাঁদের ফ্ল্যাট দেওয়া হয়নি। এই আবাসন প্রকল্পের সঙ্গে নুসরাতের নাম জড়িয়ে থাকার অভিযোগ উঠেছে। ইডি দীর্ঘদিন ধরে এই ফ্ল্যাট প্রতারণার মামলাটি খতিয়ে দেখছে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি তারা নতুন কিছু তথ্য পেয়েছে, যার ভিত্তিতে তাঁকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা : অভিনেত্রী এবং প্রাক্তন সাংসদ নুসরাত জাহান আবারও কেন্দ্রীয় তদন্তের মুখোমুখি। ফ্ল্যাট সম্পর্কিত আর্থিক গরমিলের অভিযোগে ইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) তাঁকে বুধবার তলব করে। সেই তলব মোতাবেক তিনি বুধবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন। অভিনেত্রীর স্বামী তথা অভিনেতা যশ দাশগুপ্তকেও তাঁর সঙ্গে দেখা যায়।
প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে ,তদন্তের মূল বিষয় হল রাজারহাটের একটি আবাসন প্রকল্প। অভিযোগ উঠেছে ,অনেক ক্রেতার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া সত্ত্বেও তাঁদের ফ্ল্যাট দেওয়া হয়নি। এই আবাসন প্রকল্পের সঙ্গে নুসরাতের নাম জড়িয়ে থাকার অভিযোগ উঠেছে। ইডি দীর্ঘদিন ধরে এই ফ্ল্যাট প্রতারণার মামলাটি খতিয়ে দেখছে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি তারা নতুন কিছু তথ্য পেয়েছে, যার ভিত্তিতে তাঁকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।যদিও এর আগেও নুসরাতকে একই মামলায় প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। যদিও অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ নুসরাত বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তিনি দাবি করেছেন , এই অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। তা সত্ত্বেও, তদন্ত তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে চলেছে, এবং সেই সূত্র ধরেই তাঁকে আবারও ইডি-র অফিসে হাজিরা দিতে হচ্ছে।
সকাল সকাল ইডি অফিসে নুসরাতকে ঢুকতে দেখে সংবাদকর্মীরা প্রশ্ন করলেও নুসরাত কোনও মন্তব্য করেননি। গাড়ি থেকে নেমে সরাসরি অফিসের ভেতরে প্রবেশ করেন। সাদা পোশাক পরিহিত এবং চোখে সানগ্লাস পরে তিনি কার্যত এড়িয়ে যান সকলকে এবং দ্রুত ভিতরে চলে যান।
প্রথমে শোনা গিয়েছিল যে নুসরাত জাহান আবেদন করেছিলেন তিনি যেন কলকাতার পরিবর্তে দিল্লিতে হাজিরা দিতে পারেন, কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই আবেদন বাতিল হয়ে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *