পেরোলোনা ২৪ ঘন্টাও, মমতার বাড়ির গলির মুখে থাকা সিজ়ারস ব্যারিকেড খুলল পুলিশ
গদি হারানোর ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেইবিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির দিকে যাওয়া গলির মুখে পুলিশের পক্ষ থেকে এতদিন ধরে থাকা ‘সিজারস ব্যারিকেড’ সরিয়ে দেওয়া হলো। এতদিন তৃণমূল সভানেত্রীর বাড়ির সামনের রাস্তায় কড়াকড়ি ছিল। দুটি গার্ডরেল কাঁচির মতো করে রাস্তার মুখে রাখা থাকত, এবং পথচারীরা কেউ ওই গলি দিয়ে যেতে চাইলে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের যেতে দিতেন।
নিজস্ব সংবাদদাতা : ফলপ্রকাশের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ‘সিজারস ব্যারিকেড’ উঠল মমতার বাড়ির গলির সামনে থেকে। সোমবার রাতে বিজেপির বিজয় মিছিল যখন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের কাছাকাছি রাস্তা পার হচ্ছিলো, সেই সময়ও দেখা গিয়েছিলো মমতার বাসভবনের সময়ের গলিতে রয়েছে অতন্দ্র প্রহরী ‘সিজারস ব্যারিকেড’, কিন্তু সকাল হতেই দেখা গেলো অন্য ছবি। ‘সিজারস ব্যারিকেড’ এর টিকিটিও দেখা গেলোনা।
গদি হারানোর ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেইবিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির দিকে যাওয়া গলির মুখে পুলিশের পক্ষ থেকে এতদিন ধরে থাকা ‘সিজারস ব্যারিকেড’ সরিয়ে দেওয়া হলো। এতদিন তৃণমূল সভানেত্রীর বাড়ির সামনের রাস্তায় কড়াকড়ি ছিল। দুটি গার্ডরেল কাঁচির মতো করে রাস্তার মুখে রাখা থাকত, এবং পথচারীরা কেউ ওই গলি দিয়ে যেতে চাইলে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের যেতে দিতেন। স্থানীয় সূত্রে খবর অনুযায়ী, বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের আধার কার্ড সাথে রাখতে হতো। বাসিন্দা থেকে শুরু অজ্ঞাতপরিচয় যে কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে পরিচয় জানতে চাওয়া হতো এবং তাঁরা কী কাজ করেন, কার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন, এমন নানা ধরনের প্রশ্ন করতেন মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীরা। এমনকি, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিবেশীদেরও বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় পকেটে অথবা ব্যাগে আধার কার্ড রাখতে হতো।ব্যারিকেড সামান্য ফাঁক করে পথচারীদের ছাড়া হতো, এবং গলিতে ঢোকার পরেই আবার ‘সিজারস ব্যারিকেড’ বন্ধ করে দেওয়া হতো। এছাড়াও, এলাকায় সাদা পোশাকের পুলিশও থাকতেন, যারা গলিতে ঢোকা যে কোনও নতুন মানুষের দিকে নজর রাখতেন। গাড়ি নিয়ে ঢুকলেও অনেক জিজ্ঞাসাবাদ এবং তথ্য যাচাই করার পরেই গলি দিয়ে যাওয়ার অনুমতি মিলত।
তবে ফল প্রকাশের ঠিক পরের দিন সকালে সম্পূর্ণ চিত্রটি বদলে গেলো।খুলে দেওয়া হলো ‘সিজারস ব্যারিকেড’ এবং হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের মুখে নিরাপত্তারক্ষী থাকলেও তাঁরা এখন আর কাউকে আটকাচ্ছেন না।



