পশ্চিমবঙ্গ

ডায়মন্ড হারবার ও মগরাহাটে পুনর্নির্বাচন, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে জানালো কমিশন

কমিশন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে (সিইও) চিঠি লিখে এই পুনর্নির্বাচন আয়োজনের কথা জানিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের ১১টি বুথ এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে পুনরায় ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বুথগুলিতে শনিবার সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা : গত ২৯শে এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সময় কিছু অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। সেই অভিযোগগুলোর ওপর ভিত্তি করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মোট ১৫টি বুথে নতুন করে ভোট নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। যে কেন্দ্রগুলোতে পুনরায় নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেই বুথগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, এইসব বুথে আবার ভোটগ্রহণ করা হবে শনিবার।
কমিশন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে (সিইও) চিঠি লিখে এই পুনর্নির্বাচন আয়োজনের কথা জানিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের ১১টি বুথ এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে পুনরায় ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বুথগুলিতে শনিবার সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।
মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের যে ১১টি বুথে আবার ভোট হবে, তার মধ্যে রয়েছে উত্তর ইয়ারপুর এফপি স্কুল, নাজরা এফপি স্কুলের দুটি বুথ, এবং একতারা মালয়া এফপি স্কুলের দুটি বুথের মতো বেশ কিছু বুথ। অন্যদিকে, ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথেও পুনর্নির্বাচন হবে, যে কেন্দ্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটাররা বাগদা জুনিয়র হাই স্কুল এবং রায়নগর এফপি স্কুলের মতো বুথগুলোতে আবার ভোট দেওয়ার জন্য যাবেন।
ভোটগ্রহণ চলাকালীন এই দুটি বিধানসভা কেন্দ্র এবং অন্যান্য কিছু জায়গায় পুনর্নির্বাচন করার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা। কমিশন পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন আছে কিনা, তা ভালোভাবে খতিয়ে দেখে তারপর সিদ্ধান্ত নেয়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এই স্ক্রুটিনি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব অর্পণ করেন কমিশন কর্তৃক নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে। সুব্রত গুপ্ত পুনর্নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে একটি রিপোর্ট কমিশনে জমা দেন। সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে কমিশন পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়।
ফলতা বিধানসভার কোনো বুথে এখনো পর্যন্ত রিপোল করার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তবে কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ফলতার একাধিক বুথে গোলযোগের বিষয় নিয়ে স্ক্রুটিনির রিপোর্ট জমা পড়লে সেক্ষেত্রে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফলতা বিধানসভার প্রায় ৩০টির বেশি বুথের সিসি ক্যামেরা খতিয়ে দেখা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, কোথাও ইভিএমে টেপ লাগানো হয়েছে, আবার কোথাও বুথের সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *