পশ্চিমবঙ্গ

সাগর দত্তের ব্লাড ব্যাঙ্কে অগ্নিকান্ড, সামান্যর জন্য রেহাই পেলো মেডিকেল কলেজ

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাত ১১টা নাগাদ আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই ফায়ার আল্যার্ম বেজে ওঠায় আতঙ্ক ছড়ায় গোটা হাসপাতাল চত্বরে। দেখা যায়, হাসপাতালের মূল বিল্ডিংয়ে নয়, আগুন লেগেছে মূল বিলডিংয়ের কিছুটা দূরে হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকের বিল্ডিংয়ে।

৭এ নিউজ ডেস্ক: রবিবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো কামারহাটি (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালের ( Sagar Dutta Medical College and Hospital) ব্লাড ব্যাংকে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাত ১১টা নাগাদ আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই ফায়ার আল্যার্ম বেজে ওঠায় আতঙ্ক ছড়ায় গোটা হাসপাতাল চত্বরে। দেখা যায়, হাসপাতালের মূল বিল্ডিংয়ে নয়, আগুন লেগেছে মূল বিলডিংয়ের কিছুটা দূরে হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকের বিল্ডিংয়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কামারহাটী এবং পানিহাটী দমকল বাহিনীর ২টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীদের প্রায় ঘন্টাখানেকের বেশী সময়ের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটেছে বলে অনুমান দমকল বাহিনীর। আর শর্ট সার্কিটের কারনে আগুন লাগায় আগুন নেভানোর সময়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার ফলে অন্ধকারে ডুবে যায় পুরো হাসপাতাল চত্বর। খবর পাওয়া মাত্রই হাসপাতালে উপস্থিত হয় কামারহাটী থানার সাগর দত্ত ফাঁড়ির পুলিশ, উপস্থিত ছিলেন সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালের অ্যাসিসটেন্ট সুপার গোপাল সামন্ত ও ব্লাড ব্যাংকের HOD প্রিয়াংকা রায় ব্যানার্জিও। তবে হাসপাতালের অ্যাসিসটেন্ট সুপার এবং ব্লাড ব্যাংকের HOD কেউই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে রাজী হননি।

জানা গেছে,সেই সময়ে ওই ডিপার্টমেন্টে কোনো কর্মী উপস্থিত ছিলেন না সে কারণে সাগর দত্ত হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বড়োসড়ো দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে এহেন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র এবং মেশিন।

সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারী চিকিৎসা কেন্দ্রের ব্লাড ব্যাঙ্কের মতো ইমারজেন্সি ডিপার্টমেন্টে ওই সময়ে কেন কোনো কর্মী উপস্থিত ছিলেন না তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। উল্লেখ্য, অভয়া কাণ্ডের পর থেকেই রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন হাসপাতালের অব্যবস্থার অভিযোগ উঠে আসছিলো এবং সেই সমস্ত অব্যবস্থা যে অব্যাহত তার প্রমান এদিনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। সরকারী হাসপাতালের মতো জায়গাতেও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন থেকেই গিয়েছে !

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *