পশ্চিমবঙ্গ

হয়েছে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন,পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় কোনও বুথেই পুনর্নির্বাচন নয়, জানিয়ে দিলো নির্বাচন কমিশন

প্রথম দফার নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠা সত্ত্বেও, কোনও ভোটগ্রহণ কেন্দ্রেই পুনরায় নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা নেই বলেই স্পষ্টভাবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের পূর্বে কমিশন এই বিষয়ে ঘোষণা করেছিল যে, যদি কোনও স্থানে ভোটারদের ভয় দেখানো , ভোটদানে বাধা অথবা অন্য কোনও প্রকার অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে সেই নির্দিষ্ট বুথে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হতে পারে।

নিজস্ব সংবাদদাতা : গত ২৩ শে মে রাজ্যে সম্পন্ন হয়েছে প্রথম দফার নির্বাচন, মোটের ওপর শান্তিপূর্ণভাবেই গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হয়েছিলেন ভোটারেরা, তবে বিক্ষিপ্ত অশান্তির রেশ ছিল বেশকিছু জায়গায়, অভিযোগের ভিত্তিতেরিপোর্ট দাখিল করেছিল নির্বাচন কমিশন। আর এবার নির্বাচন কমিশন তরফে জানানো হলো, প্রথম দফায় যে ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথে ভোটগ্রহণ হয়েছে, তার মধ্যে কোনও বুথে পুনরায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন নেই। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-তে পুনর্নির্বাচনের জন্য সুস্পষ্ট নিয়মাবলী উল্লেখ করা হয়েছে। এই আইনে বিশেষভাবে বলা আছে যেকোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে কোনও ভোটকেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা যেতে পারে। তবে, এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র নির্বাচন কমিশনের হাতেই থাকে। প্রথম দফার নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠা সত্ত্বেও, কোনও ভোটগ্রহণ কেন্দ্রেই পুনরায় নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা নেই বলেই স্পষ্টভাবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের পূর্বে কমিশন এই বিষয়ে ঘোষণা করেছিল যে, যদি কোনও স্থানে ভোটারদের ভয় দেখানো , ভোটদানে বাধা অথবা অন্য কোনও প্রকার অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে সেই নির্দিষ্ট বুথে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হতে পারে। কিন্তু প্রথম দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরে, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষণে এমন কোনও গুরুতর পরিস্থিতি পরিলক্ষিত হয়নি, যার কারণে পুনরায় ভোট গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে।
একই দিনে ১ দফায় ২৩৪টি বিধানসভা আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তামিলনাড়ুতেও।  নির্বাচন কমিশন একই সাথে জানিয়েছে তামিলনাডুতেও কোনো আসনে পুনর্নির্বাচনের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।

যদিও প্রথম দফার নির্বাচন চলাকালীন বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে হিংসার খবর পাওয়া গেছিলো। যেমন,মুর্শিদাবাদের নওদাতেও হুমায়ুন কবিরের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল কর্মীরা, দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় সেখানে, এছাড়াও দুবরাজপুরে স্থানীয় বাসিন্দারা ওপরে অভিযোগ ওঠে পুলিশ এবং জওয়ানদের ওপরে ইটবৃষ্টি করার ঠিক তেমনভাবেই  অভিযোগ তৃণমূলের হাতে বীরভূমের লাভপুরে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী আক্রান্ত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বীরভূমের খয়রাশোল এলাকাতেও বিকেল নাগাদ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বামেরা অভিযোগ করে ডোমকলে প্রথমদিকে বুথ জ্যামিংয়ের, তবে দিনের শেষে, প্রতিটি রাজনৈতিক দলই ভোটদানের শতকরা হার নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। প্রথম দফায় নব্বই শতাংশের বেশি (৯২.৮৮ %) ভোট পড়েছে, যা তাৎপর্যপূর্ণ। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে ভোটাদের কাছে ছাপ্পা ভোট বা বুথ দখলের ডালভাতের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে , তবে এই দফায় তেমন কিছু শোনা যায়নি। আর নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রথম দফার নির্বাচনে কোনো বুথে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না।

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *