দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে আরও কড়া নজরদারি, বুথমুখী রাস্তাতেও থাকছে সিসিটিভি ক্যামেরা, উড়বে ড্রোনও
, জনবহুল এলাকাগুলোতে বুথমুখী রাস্তাতেও সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। কলকাতা ও হাওড়ার বুথমুখী রাস্তাগুলোতেও এই ক্যামেরা লাগানো হবে। জানা গেছে, দক্ষিণ কলকাতার প্রায় ৪৫৮টি সরু ও ঘিঞ্জি গলিতে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে, এবং উত্তর কলকাতার ২৭০টি গলিতে এই ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এছাড়াও, ঘিঞ্জি ও সংকীর্ণ গলিতে মোটরসাইকেল পেট্রোলিং-এর মাধ্যমে নজর রাখা হবে।
নিজস্ব সংবাদদাতা : আগামী ২৯শে এপ্রিল রাজ্যে হতে চলেছে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন, সূচি অনুযায়ী বুধবার রাজ্যের ৭টি জেলার ১৪২টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচন কমিশন প্রথম দফার নির্বাচনের মতোই দ্বিতীয় দফার ভোট প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিশেষভাবে তৎপর রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন শেষ দফায় নজরদারি আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে ও বাইরে তো বটেই, বুথের দিকে যাওয়া রাস্তাতেও সিসি ক্যামেরা নজর রাখবে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, জনবহুল এলাকাগুলোতে বুথমুখী রাস্তাতেও সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। কলকাতা ও হাওড়ার বুথমুখী রাস্তাগুলোতেও এই ক্যামেরা লাগানো হবে। জানা গেছে, দক্ষিণ কলকাতার প্রায় ৪৫৮টি সরু ও ঘিঞ্জি গলিতে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে, এবং উত্তর কলকাতার ২৭০টি গলিতে এই ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এছাড়াও, ঘিঞ্জি ও সংকীর্ণ গলিতে মোটরসাইকেল পেট্রোলিং-এর মাধ্যমে নজর রাখা হবে।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মুখ্য আধিকারিক মনোজকুমার অগ্রবাল জানিয়েছেন, ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে শুধুমাত্র অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাই প্রবেশ করতে পারবেন; এই এলাকা ‘সিএপিএফ এলাকা’ হিসেবে গণ্য করা হবে। ভোটকর্মীদের জন্য খাবার বা পানীয় জলের প্রয়োজন হলে, তা বুথে নিয়ে যাওয়ার জন্য ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের (ডিএম) অনুমতি নিতে হবে।
এছাড়াও ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে ড্রোন ব্যবহার করে আকাশপথে নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইতিমধ্যেই রাজ্যের ১৫২টি কেন্দ্রে প্রথম দফার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের ১৪২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফার তুলনায় দ্বিতীয় দফায় তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক আসনে ভোট হলেও এই দফায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। জানা গিয়েছে, সর্বমোট ২,২৩১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক, ২৭১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে শহর কলকাতায়।



