“উনি সিংহম হলে আমরা পুষ্পা, ঝুকেগা নেহি”- দিনভর শিরোনামে ফলতা, ভোটের আগে কি হল সেখানে ?
আজ সকালেই ফলতা বিধানসভার খানপাড়া এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। আর সেই উত্তেজনার কেন্দ্রে আবারো সিংহাম-পুষ্পা দ্বৈরথ। সূত্রের খবর, সেখানে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের ঠিক পাশের একটি পাড়াতে ভোটের আবহে গন্ডগোল পাকাতে পারে এমন কয়েকজন ব্যক্তির তালিকা নিয়ে তাদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। আর সেখান থেকে বেরোনোর সময় উত্তরপ্রদেশের 'এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট' অজয়পাল শর্মার কনভয় লক্ষ্য করে 'জয় বাংলা' এবং 'গো ব্যাক' স্লোগান তোলেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। আর এই গোটা ঘটনার নেতৃত্বে ছিলেন স্বয়ং 'পুষ্পা' জাহাঙ্গির খান।
৭এ নিউজ ডেস্ক: “উনি সিংহম হলে আমরা পুষ্পা, ঝুকেগা নেহি, ঝুঁকব গণদেবতার কাছে”- সিংহাম-পুষ্পা সংঘাতে আজ দিনভর খবরের শিরোনামে ফলতা বিধানসভা এলাকা। ভোটের প্রাক্কালে আসলে সেখানে হয়েছে টা কি ? উল্লেখ্য, গতকাল ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁকে ও তাঁর অনুগামীদের ‘সাবধান’ হওয়ার হুঁশিয়ারি দেন উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এবং এ রাজ্যের অন্যতম পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা। আর তারপর রাতেই জাহাঙ্গির খান বলেন- তাঁর অভিধানে ভয় বলে কোনো শব্দ নেই। এমনকি তাঁর অভিযোগ, অজয়পাল তাঁর সহকর্মীদের বাড়িতে গিয়েও তাদের ধমক দিচ্ছে। সেই সঙ্গে রাতের অন্ধকারে সিআরপিএফ গিয়ে এলাকার মহিলাদেরও ভয় দেখাচ্ছে। কিন্তু তৃণমূল-কংগ্রেসের কর্মীদের এভাবে ধমক-চমকের মাধ্যমে যে আটকে রাখা যাবে না সেই হুঙ্কারও দিয়েছেন তিনি। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আজ সকালেই ফলতা বিধানসভার খানপাড়া এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। আর সেই উত্তেজনার কেন্দ্রে আবারো সিংহাম-পুষ্পা দ্বৈরথ। সূত্রের খবর, সেখানে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের ঠিক পাশের একটি পাড়াতে ভোটের আবহে গন্ডগোল পাকাতে পারে এমন কয়েকজন ব্যক্তির তালিকা নিয়ে তাদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। আর সেখান থেকে বেরোনোর সময় উত্তরপ্রদেশের ‘এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট’ অজয়পাল শর্মার কনভয় লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ এবং ‘গো ব্যাক’ স্লোগান তোলেন তৃণমূল (TMC) কর্মী-সমর্থকেরা। আর এই গোটা ঘটনার নেতৃত্বে ছিলেন স্বয়ং ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গির খান। ক্রমেই উত্তপ্ত হতে থাকে পরিস্থিতি। অজয়পালের গাড়ি বেরিয়ে গেলেও তাঁর কনভয়ের পিছনের দিকের কয়েকটি গাড়ি থমকে যায়। সেই সময় স্লোগান আরও জোরদার হয়। জাহাঙ্গির খানের অভিযোগ, শুধু শুধু তৃণমল কর্মী থেকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা করছেন ওই পুলিশ আধিকারিক। তাঁর আরও সংযোজন,‘‘ওই পুলিশ অবজার্ভার বিজেপির কথায় চলছেন। শান্ত ফলতাকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন।” আগামীকাল অবাধ ও হিংসামুক্ত ভোট করাতে বদ্ধপরিকর কমিশন। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো খামতি রাখতে চান না কমিশনের আধিকারিকেরা। তবে ভোটের আগের দিনই পুলিশ পর্যবেক্ষক ও তৃণমূল প্রার্থীর সংঘাতে উত্তপ্ত ফলতা। আজ রাতেও ফলতার বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন অজয়পাল। ভোটারদের মধ্যে সাহস জোগাতে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট (Election 2026) সম্পন্ন করতে তৎপর ‘সিংহম সাহেব।’ কাল বিভিন্ন স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলির পাশাপাশি আজকের ঘটনার পর ফলতার দিকেও নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।



