তৃণমূলের হালিশহর পরিণত খালিশহরে ?
কাঁচরাপাড়ার পর হালিশহর পৌরসভাতেও বড়সড় ভাঙন, ১৬ জন তৃণমূল কাউন্সিলরের গণ ইস্তফায় শোরগোল রাজনৈতিক মহলে

নিজস্ব সংবাদদাতা : কাঁচরাপাড়ার পর এবার হালিশহর পৌরসভাতেও বড়সড় ভাঙনের ছবি সামনে এলো। ঘাসফুল থেকে পদ্মফুল, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই ভাঙনের খবর প্রকাশ্যে আসছে ঘাসফুল শিবির থেকে। বিধানসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের জেরে রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে তীব্র অসন্তোষ তৈরী হয়েছে। তারই ফল স্বরূপ দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে কাঁচরাপাড়া পৌরসভায় একযোগে ১৫ জন কাউন্সিলর ইস্তফাপত্র জমা দেন। আর সেই ঘটনার অব্যাহতি পরেই এদিন হালিশহর পৌরসভায়তেও গন ইস্তফা দিলেন পৌর প্রতিনিধিরা। এদিন ব্যারাকপুরের প্রশাসনিক ভবনে হালিশহর পৌরসভার ১৬ জন কাউন্সিলর ইস্তফাপত্র জমা দিলেন। পদত্যাগীদের মধ্যে রয়েছেন ৫জন মহিলা কাউন্সিলরও। তবে, ইস্তফা দেননি পৌরপ্রধান শুভঙ্কর ঘোষ। ২৩ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ১৬ জন পদত্যাগ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সেই সঙ্গে গোটা হালিশহর জুড়ে নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরী হয়েছে। যদিও বীজপুরের নব নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক সুদীপ্ত দাস আশ্বাস দেন, কাউন্সিলরদের গন ইস্তফায় পৌর পরিষেবায় কোনওরকম প্রভাব পড়বে না এবং সাধারণ মানুষের পরিষেবা স্বাভাবিকভাবেই চলবে।
অন্যদিকে পদত্যাগের পরেই ক্ষোভ উগরে দেন হালিশহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৃত্যুঞ্জয় দাস। তার অভিযোগ, নির্বাচনে ভরাডুবির পর প্রাক্তন বিধায়ক থেকে সাংসদ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কাউন্সিলরদের সঙ্গে কোনোরকম যোগাযোগ রাখেননি। আর সেই ক্ষোভ থেকেই এই গণইস্তফার সিদ্ধান্ত। সেই সঙ্গে এই ঘটনায় কাঁচরাপাড়ার পাশাপাশি হালিশহর পৌরসভার ক্ষমতার সমীকরণেও বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।



