ভোটকর্মী সংকটে নির্বাচন কমিশন, আবারও ডিউটি দেওয়া হলো প্রথম দফার কর্মীদেরই
দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের পূর্বেই কমিশন একটি ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নিয়েছে,জানা যাচ্ছে - নির্বাচন সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের জন্য, কেন্দ্রীয় সরকারের যে কর্মীরা (বিশেষ করে কেন্দ্রীয় সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্মীরা) প্রথম দফায় ভোটের কাজ করেছেন, তাঁদেরকে আবারও দ্বিতীয় দফায় ভোটের কাজ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণে এইরকম প্রায় ১৭ হাজারের বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা : বুধবার হতে চলেছে রাজ্যে দ্বিতীয় দফার কলকাতা, হাওড়া ও হুগলি সহ দক্ষিণবঙ্গের সাতটি জেলার বিধানসভা নির্বাচন, আর ঠিক তার আগেই ভোটকর্মী সংকটে নির্বাচন কমিশন। এই সমস্যা সমাধানোর উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের পূর্বেই কমিশন একটি ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নিয়েছে,জানা যাচ্ছে – নির্বাচন সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের জন্য, কেন্দ্রীয় সরকারের যে কর্মীরা (বিশেষ করে কেন্দ্রীয় সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্মীরা) প্রথম দফায় ভোটের কাজ করেছেন, তাঁদেরকে আবারও দ্বিতীয় দফায় ভোটের কাজ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণে এইরকম প্রায় ১৭ হাজারের বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী , উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভোটকর্মীর অভাব দেখা যাওয়ায়, প্রথম দফায় যে জেলাগুলোতে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে, সেখান থেকে কর্মীদের দ্বিতীয় দফার নির্বাচন সম্পন্ন হতে যাওয়া জেলাগুলোতে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়।
কমিশনের তালিকা অনুযায়ী, মূলত দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা দক্ষিণ, হাওড়া, হুগলি এবং নদীয়ার মতো জেলাগুলোতে ভোটকর্মী পাঠানো হচ্ছে। এই জেলাগুলোর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় সবচেয়ে বেশি কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। এদের মধ্যে রয়েছেন আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং মুর্শিদাবাদের মতো উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকে আসা কর্মীরা। অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ঘাটতি পূরণের জন্য পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর থেকে কয়েক হাজার ভোটকর্মীকে নিয়ে আসা হচ্ছে।
ভোটকর্মীদের নিয়ে আসার বিষয়টিযাতে স্বচ্ছ থাকে, তার জন্য কোনো প্রকার হাতে লেখা কাগজ ব্যবহার না করে সরাসরি ‘EMMS’ সফটওয়্যারের মাধ্যমেই কর্মীদের নতুন নিয়োগপত্র বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।কমিশন এই বিষয়ে একেবারে স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছে যে, ভোটকর্মীদের যাবতীয় তথ্য আদান-প্রদান এবং নিয়োগপত্র জারির পুরো প্রক্রিয়াটি ‘EMMS’ সফটওয়্যারের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে। কোনো জেলার জেলাশাসক যেন অন্য জেলার জেলাশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমন্বয় না করে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন, সেদিকেও বিশেষভাবে নজর রাখতে বলা হয়েছে। নির্বাচনের কয়েক দিন আগে এত বিপুল সংখ্যক কর্মীকে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় নিয়ে গিয়ে মোতায়েন করা কমিশনের জন্য নিঃসন্দেহে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।



