পশ্চিমবঙ্গ

রাজ্যের দিকে দিকে ভোট-পরবর্তী হিংসা! কোথায় কি হলো? জেনে নিন ঝটপট

ভোটের শেষে উত্তেজনা ছড়ায় হলদিয়াতে। সেখানে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। আবার ভোট মেটার কিছুক্ষন পরই অশান্ত হয় নিউ আলিপুর। তৃণমূলের অভিযোগ, কোনো প্ররোচনা ছাড়াই নিউ আলিপুরের দুর্গাপুর কলোনি দিয়ে যাবার সময় স্থানীয়দের ওপর ব্যাপক লাঠিচার্জ করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।সবমিলিয়ে দ্বিতীয় দফার ভোটে প্রাণহানি কিংবা রক্তপাতের ঘটনা না ঘটলেও ভোট মিটতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে অশান্তির খবর। ঝরেছে রক্তও।

৭এ নিউজ ডেস্ক: ভোট-পরবর্তী হিংসায় অশান্ত বেহালা পশ্চিম (Behala Paschim)। তৃণমূল (TMC) নেতা ও কর্মীদের ওপর অতর্কিতে হামলার অভিযোগ উঠলো বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, গতকাল বঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট মেটার পর কলকাতা পৌরনিগমের অন্তর্গত ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগর রামকৃষ্ণ পল্লীতে ইভিএম তোলা হচ্ছিলো বাসে। তৃণমূলের দাবি, সেই সময় ভোটবাক্স লুঠ করার চেষ্টা করে বিজেপি কর্মীরা। অভিযোগ, সেই ঘটনার প্রতিবাদ করায় আচমকা একদল দুর্বৃত্ত চড়াও হয় ঘাসফুল শিবিরের কর্মীদের ওপর। লাঠি ও রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় তাদের। সেই সঙ্গে চলে ইটবৃষ্টি। দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য থেকে রেহাই পাননি ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর অঞ্জন দাসও। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, এদিনের ঘটনার জেরে মোট ৫ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা সঙ্কটজনক।এসএসকেম হাসপাতালে বর্তমানে ওই ব্যক্তি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকিদের বিদ্যাসাগর হাসপাতালে চিকিৎসা চলেছে। অন্যদিকে এদিন গন্ডগোলের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়। দলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় সরাসরি বিজেপিকেই নিশানা করেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই এদিনের ঘটনার প্রেক্ষিতে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভোটে অশান্তির খবর না এলেও নির্বাচনের শেষে দুই ফুলের বিতণ্ডায় থমথমে বেহালা পশ্চিম।

অন্যদিকে ভোট মেটার পর বোমা উদ্ধার হয়েছে ভাঙড়ে (Bhangar)। নির্বাচনের দিন ভাঙড় কিংবা ভাটপাড়ায় বোমাবাজির ঘটনা নেহাত নতুন নয়। বরং, সেটিই দস্তুর। তবে এবার বিক্ষিপ্ত কয়েকটি অশান্তি ছাড়া মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভোট দেখেছে ভাঙড়বাসী। কিন্তু ভোট মিটতেই সেই ভাঙড় থেকে উদ্ধার হলো ৭ টি তাজা বোমা। স্থানীয়দের দাবি, এলাকার একটি মাঠে লঙ্কা গাছের আড়ালে বোমাগুলি মজুত করে রাখা হয়েছিল। ঘটনাটি নজরে আসতেই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উর্দিধারীরা এসে বোমাগুলি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কি কারণে বোমা রাখা হয়েছিল? কারাই বা সেগুলি মজুত করা হয়েছিল ? এ হেন একাধিক প্রশ্নের উত্তরের সন্ধানে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

ভোটের শেষে উত্তেজনা ছড়ায় হলদিয়াতে (Haldia)। সেখানে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বিজেপি (BJP) কর্মীদের বিরুদ্ধে। আবার ভোট মেটার কিছুক্ষন পরই অশান্ত হয় নিউ আলিপুর। তৃণমূলের অভিযোগ, কোনো প্ররোচনা ছাড়াই নিউ আলিপুরের দুর্গাপুর কলোনি দিয়ে যাবার সময় স্থানীয়দের ওপর ব্যাপক লাঠিচার্জ করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।সবমিলিয়ে দ্বিতীয় দফার ভোটে প্রাণহানি কিংবা রক্তপাতের ঘটনা না ঘটলেও ভোট মিটতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে অশান্তির খবর। ঝরেছে রক্তও। ৪ ঠা মে (Election Result) কেমন থাকে বাংলার পরিস্থিতি সেদিকে নজর রইলো আমাদের।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *