খেলা

ঘরের মাঠেই হারলো লখনৌ ,পরপর দু’ম্যাচ জিতে আটে উঠল কলকাতা

মহসিন খান ২৩ রান দিয়ে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে কলকাতার ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে দলের বিপর্যয় সামাল দেন রিঙ্কু সিং। তিনি ৫১ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের একটি অসাধারণ ইনিংস খেলেন এবং দলকে একটি সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা : টানা ২ বার জয়ের মুখ দেখলো কলকাতা নাইট রাইডার্স, টানা ব্যর্থতার পর এবার ধীরে ধীরে ফর্মে ফিরছে অজিঙ্ক রাহানে এন্ড টিম। ঘরের মাঠে লখনৌ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে প্রথম পর্বে হারের বদলা নিল নাইট বাহিনী। এদিন লখনউয়ের একানা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আইপিএল ম্যাচটি ছিল এক অসাধারণ ক্রিকেটীয় মুহুর্তের সাক্ষী। একদিকে যেমন মহসিন খানের বিধ্বংসী বোলিং স্পেল দেখা গেল, তেমনই অন্যদিকে রিঙ্কু সিংয়ের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে কেকেআর-এর জয়ের আশা উজ্জ্বল হয়। শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত কলকাতা নাইট রাইডার্স জয়লাভ করে।
তবে ,নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলাটি টাই হয়ে যাওয়ার পরে, কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR)সুপার ওভারে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে পরাজিত করে।
টস জিতে লখনউ সুপার জায়ান্টস প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিলে কলকাতা নাইট রাইডার্স ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। লখনউয়ের পেস বোলার মহসিন খানের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে কেকেআরের ব্যাটসম্যানরা দাঁড়াতেই পারেননি। মহসিন খান ২৩ রান দিয়ে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে কলকাতার ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে দলের বিপর্যয় সামাল দেন রিঙ্কু সিং। তিনি ৫১ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের একটি অসাধারণ ইনিংস খেলেন এবং দলকে একটি সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেন।
এবারের আইপিএলে কেকেআর, লখনউ সুপার জায়ান্টসকে তাদের ঘরের মাঠ একানায় যেভাবে পরাজিত করেছে, তাতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, এটা বলা বাহুল্য। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পরেও,সুপার ওভারে স্নায়ুর চাপ কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত নাইটদের জয়ে  স্বস্তিতে কেকেআর সমর্থকেরাও। মহসিন খানের লড়াকু বোলিং অথবা শামির শেষ বলের কারিশমা রিঙ্কু সিং-এর সেই বিধ্বংসী ৮৩ রানের কাছে গুরুত্বহীন হয়ে যায়। আর এই জয়ের কারণেই  পয়েন্ট টেবিলে কলকাতা এখন সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে গেলো।

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *