প্রচারের শেষ পর্যায়ে অব্যাহত অশান্তি, এবার উত্তেজনা বরানগরে, কেন ?
পদ্ম প্রার্থীর দাবি, এদিনের প্রচার কর্মসূচির জন্য আগে থেকে পুলিশ প্রশাসনের থেকে অনুমতি নেওয়া ছিল। আর সেই মোতাবেক বেলা ২ টো নাগাদ প্রচার শুরু করার জন্য নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল কর্মীরা সমস্যা সৃষ্টি করছিলো। তাই সজল ঘোষ অন্যদিকে তাঁর জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করেন। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, সেই সময়ও নানানভাবে তাঁর মিটিংয়ে বাধা দেওয়া হয় তৃণমূলের তরফে। অন্যদিকে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর শান্তনু মজুমদারের দাবি, নির্বাচন কমিশনের বেধে দেওয়া নিয়ম ভেঙে বিকেল ৫ টার পরও প্রচার চালিয়ে গেছেন সজল ঘোষ।
৭এ নিউজ ডেস্ক: একদিকে তৃণমূল (TMC) কর্মীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, অন্যদিকে বিজেপি (BJP) প্রার্থী সজল ঘোষের ঝাঁজালো আক্রমণ।প্রচারের শেষ লগ্নে যুযুধান দুই দলের দ্বৈরথে তীব্র উত্তেজনা ছড়ালো বরানগরে (Baranagar।গন্ডগোলের সূত্রপাত বরানগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের প্রচার কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই। সূত্রের খবর, আজ নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে বরানগর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জনসংযোগ সারছিলেন সজল। পদ্ম প্রার্থীর দাবি, এদিনের প্রচার কর্মসূচির জন্য আগে থেকে পুলিশ প্রশাসনের থেকে অনুমতি নেওয়া ছিল। আর সেই মোতাবেক বেলা ২ টো নাগাদ প্রচার শুরু করার জন্য নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল কর্মীরা সমস্যা সৃষ্টি করছিলো। তাই সজল ঘোষ অন্যদিকে তাঁর জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করেন। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, সেই সময়ও নানানভাবে তাঁর মিটিংয়ে বাধা দেওয়া হয় তৃণমূলের তরফে। অন্যদিকে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর শান্তনু মজুমদারের দাবি, নির্বাচন কমিশনের বেধে দেওয়া নিয়ম ভেঙে বিকেল ৫ টার পরও প্রচার চালিয়ে গেছেন সজল ঘোষ।একদিকে সজল ঘোষ জানান, ” ১০ মিনিট তাঁকে বলতে না দিলে তিনি সেই এলাকা ছাড়বেন না।” অন্যদিকে তৃণমূল পৌরপিতা বরানগরের পদ্ম প্রার্থীকে কটাক্ষ করে তিনি বললেন-“লেবুতলার গুন্ডা, বরানগরে ঠান্ডা।” দুপক্ষের স্লোগান,পাল্টা স্লোগানে ক্রমশই উত্তপ্ত হতে থাকে পরিস্থিতি। একসময়ে দুই শিবিরের সমর্থকদের বচসা গড়ায় হাতাহাতির পর্যায়ে।তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় গোটা এলাকায়।গন্ডগোলের খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বরানগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেশ পেতে হয় তাদের। ক্ষিপ্ত রাজনৈতিক কর্মীদের সঙ্গে তাদের বাকযুদ্ধও হতে দেখা যায়। তবে পরবর্তীতে স্বাভাবিক হয় এলাকার পরিস্থিতি।
প্রচারের শেষ বেলায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসছিল। কোথাও তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে আহত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান কোথাও আবার বাম (CPIM) সমর্থক বাবা ও মেয়ের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। এবার সম্মুখ সমরে তৃণমূল-বিজেপি। প্রসঙ্গত এর আগেও মুখোমুখি বাদানুবাদে জড়িয়েছিলেন বরানগরের পদ্ম প্রার্থী সজল ঘোষ এবং ঘাসফুল প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জী। এদিন আবারো সজল ঘোষের সম্মুখীন তৃণমূলের এক জনপ্রতিনিধি। আগামী ২৯ শে এপ্রিল শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট (Election 2026) মিটবে তো ? উত্তর দেবে সময়ই।


